ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক। কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ

ঈশ্বরগঞ্জে কাঁচামাটিয়া নদীতে মোবাইল কোর্ট: অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 89
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাছ শিকার ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংস রোধে কাঁচামাটিয়া নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা প্রশাসন, ময়মনসিংহের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান। এতে প্রসিকিউশন দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা প্রদান করেন।
অভিযান চলাকালে কাঁচামাটিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি খরা জাল ও পাঁচটি চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। পরবর্তীতে জালগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খরা জাল ও চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচিত, কারণ এগুলো ব্যবহার করলে ছোট মাছ ও পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে নদীর মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে ফেলে। সরকার এসব জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রহমান জানান, নদী ও খাল-বিলে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তিনি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থেকে টেকসই মৎস্য আহরণে সচেতন হতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু কিছু অসাধু জেলে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা গেলে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঈশ্বরগঞ্জে কাঁচামাটিয়া নদীতে মোবাইল কোর্ট: অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

আপডেট সময় : ০৫:৪০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাছ শিকার ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংস রোধে কাঁচামাটিয়া নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা প্রশাসন, ময়মনসিংহের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমান। এতে প্রসিকিউশন দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা প্রদান করেন।
অভিযান চলাকালে কাঁচামাটিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি খরা জাল ও পাঁচটি চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। পরবর্তীতে জালগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খরা জাল ও চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচিত, কারণ এগুলো ব্যবহার করলে ছোট মাছ ও পোনা নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে নদীর মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে ফেলে। সরকার এসব জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রহমান জানান, নদী ও খাল-বিলে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। তিনি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থেকে টেকসই মৎস্য আহরণে সচেতন হতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু কিছু অসাধু জেলে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা গেলে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।