ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক। কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ

অ্যাপল ওয়াচের বিক্রি কমেছে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 161
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৪ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) অ্যাপল ওয়াচের বিক্রি ১৯ শতাংশ কমেছে। বছরের শুরু থেকেও এই পতনের ধারা অব্যাহত ছিল। এতে বোঝা যাচ্ছে, কেবল একবার নয়—পুরো বছরজুড়েই অ্যাপলের স্মার্টওয়াচ সেলস চাপে ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৩ সালে সিরিজ ৯ এবং ২০২৪ সালে সিরিজ ১০-এ কোনো বড় পরিবর্তন না থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ কমে যায়। একই রকম ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও ফিচার – আগের মডেল ব্যবহারকারীদের আপগ্রেড করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা যায়নি।

যখন অ্যাপলের বিক্রি কমছে, তখন চীনা কোম্পানি হুয়াওয়ে, জিওমি ও অ্যামেজফিট-এর মতো ব্র্যান্ডগুলো তাদের স্মার্টওয়াচ বিক্রি বাড়িয়ে নিচ্ছে। নতুন ফিচার, কম দাম এবং ফ্যাশনেবল ডিজাইনের কারণে চীনা স্মার্টওয়াচ ব্র্যান্ডগুলো দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

বিশেষ করে এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার বাজারে অ্যাপলের তুলনায় তারা অনেক বেশি সাড়া পাচ্ছে। ফলাফলস্বরূপ, বিশ্ব বাজারে অ্যাপলের শেয়ার ধীরে ধীরে কমছে।

অ্যাপল ওয়াচ বিক্রিতে পতনের আরেকটি বড় কারণ হলো আইনি জটিলতা ও প্রযুক্তিগত পেটেন্ট বিরোধ। মার্কিন মেডিকেল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাসিমো-এর সঙ্গে রক্তে অক্সিজেন পরিমাপক সেন্সর নিয়ে চলছিল দীর্ঘদিনের বিরোধ।

এর ফলে কিছু সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপল ওয়াচ বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয় অ্যাপল। পরে সেই সেন্সর ফিচার সরিয়ে নিতে হয়। ক্রেতারা একে “পুরো অভিজ্ঞতার ঘাটতি” হিসেবে দেখছেন, যা বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

উত্তর আমেরিকা অ্যাপল ওয়াচের সবচেয়ে বড় বাজার। কোম্পানিটির মোট বিক্রির অর্ধেকের বেশি হয় এই অঞ্চল থেকেই। কিন্তু ২০২৪ সালে এই মার্কেটেই সবচেয়ে বড় পতন দেখা গেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তারা নতুনত্বের দিকে বেশি আগ্রহী। সিরিজ ১০-এ নতুন কিছু না থাকায় অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আপগ্রেড না করার। ফলে বিক্রির সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অ্যাপল ওয়াচের বিক্রি কমেছে

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

২০২৪ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) অ্যাপল ওয়াচের বিক্রি ১৯ শতাংশ কমেছে। বছরের শুরু থেকেও এই পতনের ধারা অব্যাহত ছিল। এতে বোঝা যাচ্ছে, কেবল একবার নয়—পুরো বছরজুড়েই অ্যাপলের স্মার্টওয়াচ সেলস চাপে ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৩ সালে সিরিজ ৯ এবং ২০২৪ সালে সিরিজ ১০-এ কোনো বড় পরিবর্তন না থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ কমে যায়। একই রকম ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও ফিচার – আগের মডেল ব্যবহারকারীদের আপগ্রেড করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা যায়নি।

যখন অ্যাপলের বিক্রি কমছে, তখন চীনা কোম্পানি হুয়াওয়ে, জিওমি ও অ্যামেজফিট-এর মতো ব্র্যান্ডগুলো তাদের স্মার্টওয়াচ বিক্রি বাড়িয়ে নিচ্ছে। নতুন ফিচার, কম দাম এবং ফ্যাশনেবল ডিজাইনের কারণে চীনা স্মার্টওয়াচ ব্র্যান্ডগুলো দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

বিশেষ করে এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার বাজারে অ্যাপলের তুলনায় তারা অনেক বেশি সাড়া পাচ্ছে। ফলাফলস্বরূপ, বিশ্ব বাজারে অ্যাপলের শেয়ার ধীরে ধীরে কমছে।

অ্যাপল ওয়াচ বিক্রিতে পতনের আরেকটি বড় কারণ হলো আইনি জটিলতা ও প্রযুক্তিগত পেটেন্ট বিরোধ। মার্কিন মেডিকেল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাসিমো-এর সঙ্গে রক্তে অক্সিজেন পরিমাপক সেন্সর নিয়ে চলছিল দীর্ঘদিনের বিরোধ।

এর ফলে কিছু সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপল ওয়াচ বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয় অ্যাপল। পরে সেই সেন্সর ফিচার সরিয়ে নিতে হয়। ক্রেতারা একে “পুরো অভিজ্ঞতার ঘাটতি” হিসেবে দেখছেন, যা বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

উত্তর আমেরিকা অ্যাপল ওয়াচের সবচেয়ে বড় বাজার। কোম্পানিটির মোট বিক্রির অর্ধেকের বেশি হয় এই অঞ্চল থেকেই। কিন্তু ২০২৪ সালে এই মার্কেটেই সবচেয়ে বড় পতন দেখা গেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তারা নতুনত্বের দিকে বেশি আগ্রহী। সিরিজ ১০-এ নতুন কিছু না থাকায় অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আপগ্রেড না করার। ফলে বিক্রির সংখ্যা আশানুরূপ হয়নি।