কমলগঞ্জে রেল টিকিট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ।
- আপডেট সময় : ১১:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 268
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রেলওয়ের টিকিট পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও টাকা নেওয়ার পর টিকিট না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কায়েস মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, কায়েস মিয়ার বাবা মাসুক মিয়া দীর্ঘদিন সিনিয়র স্টেশন মাস্টার ছিলেন এই সুবাতে সবার সাথে পরিচিত থাকায় একটি চক্রের মাধ্যমে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে রেল টিকিটের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন। স্থানীয়রা স্টেশন মাস্টারের ছেলে বলে বিশ্বাস করত, স্টেশনে টিকিট না পেয়ে যাত্রীরা বিপাকে পড়লে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতি টিকিটে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হতো বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, টিকিটের আশ্বাস পেয়ে অনেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার একটি অডিও রেকর্ড ফেসবুকে ভাইরাল টাকা পাঠানোর পর কয়েক দিন অপেক্ষা করেও টিকিট পাননি। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এমনই একটি অভিযোগ করেছেন মো. হোসেন বক্ত নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল যাতায়াতের জন্য পাঁচটি টিকিট দেওয়ার কথা বলে গত ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিকাশের মাধ্যমে ৩ হাজার ৪০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে টাকা নেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো টিকিট দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, টিকিটের বিষয়ে কথা বলতে কায়েস মিয়ার বাড়িতে লোক পাঠানো হলে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কায়েস মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বর্তমান স্টেশন মাস্টার পলাশ দাশ এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তার বাবা স্টেশন মাস্টার আমার সহকর্মী আসা-যাওয়া করত টিকেট বিক্রি করতো এটাই জানি এখন কি কারনে সপ্তাহ ধরে আসে না আমার জানা নেই
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার এসআই রনি তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কায়েস মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় আরও মৌখিক অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রেল টিকিটকে কেন্দ্র করে এ ধরনের দালালচক্রের তৎপরতা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
























