ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক। কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, ঈদগাঁওয়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে ১ হাজার অতিথি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 243
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে… পরশু… আজকে ১৪… ১৫, ১৬ বা ১৭ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।

তিনি বলেন, এই শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে তার এই ঘটনাটি জানিয়ে দেবেন যে, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা আশা করছি তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে।

শপথের জন্য প্রস্তুত কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি আছে, আবার যদি বলা হয়, না আমরা ওই তিন দিন পর হবে সেটারও প্রস্তুতি আছে।

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যেটা জানতে পেরেছি ইনফরমাল, সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানান রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে ১ হাজার অতিথি

আপডেট সময় : ১১:২০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে… পরশু… আজকে ১৪… ১৫, ১৬ বা ১৭ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।

তিনি বলেন, এই শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে তার এই ঘটনাটি জানিয়ে দেবেন যে, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা আশা করছি তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে।

শপথের জন্য প্রস্তুত কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি আছে, আবার যদি বলা হয়, না আমরা ওই তিন দিন পর হবে সেটারও প্রস্তুতি আছে।

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যেটা জানতে পেরেছি ইনফরমাল, সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানান রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।