নূরেরচালায় মাদক কারবারের অভিযোগ, ঝুঁকিতে তরুণ সমাজ
- আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / 44
ইয়াবা-গাঁজা কেনাবেচা, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নূরেরচালা বোর্ডঘাটের বি-ব্লক বালুর মাঠ ও ভোটগার্ড অটোস্ট্যান্ডের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা কেনাবেচার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মারকুল ওরফে মো. মাসুম, রাজু ও আলামিনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, জমি দখল, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ।

এলাকাবাসীর দাবি, মাদক কেনাবেচার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে তাঁদের। তাঁদের আশঙ্কা, মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা সামাজিক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদ করতে গেলে দলবদ্ধভাবে হামলা ও হুমকির আশঙ্কা থাকে। ফলে অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
ভাটারা থানার কাছাকাছি এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগ থাকলে তা প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে—এ প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
পুলিশের সহযোগিতায় মাদক কারবার চলছে—এমন অভিযোগের পক্ষে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা জরুরি।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
এলাকাবাসীর দাবি, মাদকের উৎস ও সরবরাহব্যবস্থা শনাক্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও হুমকির অভিযোগ তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ বিষয়ে ভাটারা থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




















