ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক। কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ

বাংলাদেশের হাটঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে-হাসনাত কাইয়ূম’

হাবিবুর রহমান,
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 209
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের হাটঘাটে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে। যে কৃষকের শ্রমে ঘামে ফসল উৎপন্ন হয় সেই কৃষকের জন্য কালা আইন বীজ বিপনন ও কৃষি বীজ আইন ২০১৮ বাতিল করতে হবে। সরকার কৃষকের নামে প্রতি বছর ভর্তুকী হিসেবে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে আমার কৃষককে না দিয়ে, বিদেশী করপোরেশন বিভাগকে দেয়। যেখানে আমার কৃষককে মাত্র ৫০০ টাকা ঋণের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যায়। রবিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপূত্র নদ তীরবর্তী শফিউল আলম রাজা স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম। তিনি আরো বলেন, ‘সবচাইতে বেশী খাজনা তোলা হয় খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অদৃশ্য খাজনা হিসেবে। প্রত্যেকটা প্রয়োজনীয় জিনিষ থেকে সরকার প্রতি বছর ৮ লক্ষ কোটি টাকা খাজনা তুলে নেয়। এই খাজনা তুলে নিয়ে উপদেষ্টারা এখন নাকি হেলিকপ্টারে চড়ে বেড়ায়। কৃষকের খাজনার টাকা দিয়ে আফিসারদের গাড়ি কিনে দেয়া হয়। তারা গাড়ি চালায়, তাদেরকে তেল কিনে দেয়া হয়। ঢাকা শহরে দুইতলা তিনতলা রাস্তা নির্মানে যোগান দেয়া হয় বলে জানান তিনি। মহাসমাবেশে উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশ কমিটির আহবায়ক নাহিদ হাসান নলেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, নগর পরিকল্পনাবিদ নিয়াজ রহমান, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা আইন (শিশির) এর আহবায়ক রাখাল রাহা, অর্থনীতিবিদ দিদারুল ভূইয়া, অনুষ্ঠানের সদর্স্য সচীব আমিনুল ইসলাম বীর, চিলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি মনিরুল আলম লিটু, চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাওরাত হোসেন সোহেল প্রমূখ। বক্তারা বলেন, দেশ ভাগের পর বিভিন্ন আন্দোলনে কৃষকরা প্রাণ দিলেও সেই কৃষককে কোন সরকার মর্যাদা দেয় নাই। তাদের রক্ত চুষে সরকাররা বিদেশী কোম্পনাী গুলোকে সুবিধা দিলেও আমাদের কৃষককে সব সময় বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানী গুলো এখন সার-বীজ-কীটনাশকের ব্যবসা করে জমির উর্ভরতা নষ্ট করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয় নাই। এখানকার তাঁতী-জেলে-কৃষক সমাজ মহাজনদের হাতে জিম্মি হয়ে আছেন। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশকে বাঁচাতে হলে আমাদের ১২দফা দাবী মেনে নিতে হবে। তাহলে অন্তর্বতী সরকারের যে সংস্কার আইন পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন হবে। কখনোই কৃষককে বাদ দিয়ে সংস্কার আইন আমরা মেনে নিবো না, মেনে নিতে পারি না। দাবি বাস্তবায়নে উত্তরবঙ্গ মহাসমাবেশ হাওর-বাওরসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাংলাদেশের হাটঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে-হাসনাত কাইয়ূম’

আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশের হাটঘাটে ইজারা প্রথা বাতিল করতে হবে। যে কৃষকের শ্রমে ঘামে ফসল উৎপন্ন হয় সেই কৃষকের জন্য কালা আইন বীজ বিপনন ও কৃষি বীজ আইন ২০১৮ বাতিল করতে হবে। সরকার কৃষকের নামে প্রতি বছর ভর্তুকী হিসেবে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে আমার কৃষককে না দিয়ে, বিদেশী করপোরেশন বিভাগকে দেয়। যেখানে আমার কৃষককে মাত্র ৫০০ টাকা ঋণের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যায়। রবিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজার সংলগ্ন ব্রহ্মপূত্র নদ তীরবর্তী শফিউল আলম রাজা স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম। তিনি আরো বলেন, ‘সবচাইতে বেশী খাজনা তোলা হয় খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে অদৃশ্য খাজনা হিসেবে। প্রত্যেকটা প্রয়োজনীয় জিনিষ থেকে সরকার প্রতি বছর ৮ লক্ষ কোটি টাকা খাজনা তুলে নেয়। এই খাজনা তুলে নিয়ে উপদেষ্টারা এখন নাকি হেলিকপ্টারে চড়ে বেড়ায়। কৃষকের খাজনার টাকা দিয়ে আফিসারদের গাড়ি কিনে দেয়া হয়। তারা গাড়ি চালায়, তাদেরকে তেল কিনে দেয়া হয়। ঢাকা শহরে দুইতলা তিনতলা রাস্তা নির্মানে যোগান দেয়া হয় বলে জানান তিনি। মহাসমাবেশে উত্তরবঙ্গ কৃষক মহাসমাবেশ কমিটির আহবায়ক নাহিদ হাসান নলেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, নগর পরিকল্পনাবিদ নিয়াজ রহমান, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা আইন (শিশির) এর আহবায়ক রাখাল রাহা, অর্থনীতিবিদ দিদারুল ভূইয়া, অনুষ্ঠানের সদর্স্য সচীব আমিনুল ইসলাম বীর, চিলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাবু, প্রেসক্লাব চিলমারীর সভাপতি মনিরুল আলম লিটু, চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাওরাত হোসেন সোহেল প্রমূখ। বক্তারা বলেন, দেশ ভাগের পর বিভিন্ন আন্দোলনে কৃষকরা প্রাণ দিলেও সেই কৃষককে কোন সরকার মর্যাদা দেয় নাই। তাদের রক্ত চুষে সরকাররা বিদেশী কোম্পনাী গুলোকে সুবিধা দিলেও আমাদের কৃষককে সব সময় বঞ্চিত থাকতে হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানী গুলো এখন সার-বীজ-কীটনাশকের ব্যবসা করে জমির উর্ভরতা নষ্ট করলেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনী পদক্ষেপ নেয় নাই। এখানকার তাঁতী-জেলে-কৃষক সমাজ মহাজনদের হাতে জিম্মি হয়ে আছেন। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশকে বাঁচাতে হলে আমাদের ১২দফা দাবী মেনে নিতে হবে। তাহলে অন্তর্বতী সরকারের যে সংস্কার আইন পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন হবে। কখনোই কৃষককে বাদ দিয়ে সংস্কার আইন আমরা মেনে নিবো না, মেনে নিতে পারি না। দাবি বাস্তবায়নে উত্তরবঙ্গ মহাসমাবেশ হাওর-বাওরসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান তারা।