ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক। কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ নারীসহ গ্রেপ্তার ২ মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে দুই কিশোরকে মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ

যুদ্ধবিরতি শেষের দিকে, আতঙ্কিত সাধারণ ইরানিরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 137
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে আসছে। গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতিটি ২২ এপ্রিল শেষ হয়ে যাবে। আর এমন পরিস্থিতিতে আবারও আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন সাধারণ ইরানিরা। সঙ্গে তারা ক্ষুব্ধও।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সাংবাদিক তৌহিদ আসাদি রোববার (১৯ এপ্রিল) তেহরান থেকে বলেছেন, ইরানিদের মধ্যে বিভিন্ন অনুভূতি দেখতে পাচ্ছেন তিনি।

তৌহিদ আসাদি বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংঘাতের সমাধান হবে, ইরানিদের মধ্যে এমন আশা আছে। যদিও এটি খুবই কম। বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল তখন সাধারণ মানুষ আশা দেখেছিলেন। কারণ চুক্তি হলে মার্কিনিরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতো, এতে সাধারণ জনগণের জীবনমানের উন্নতি হতো। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের অনেক ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।

কিন্তু যখন ভবিষ্যতের দিকে তারা তাকান তখন তারা হতাশ হন এবং তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে।

 

তৌহিদ বলেছেন, আমরা জানি ইরানিরা খুবই আতঙ্কিত। তারা শুধুমাত্র যুদ্ধের ছায়ার জন্যই আতঙ্কিত নন, হঠাৎ করে কি হয় তা নিয়েও আতঙ্কিত। এমনকি যুদ্ধবিরতির মাঝেও তারা আতঙ্কিত।

কারণ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যখন দেশটির নেতারা আলোচনা করছিলেন তখনই হামলার শিকার হয়েছে তাদের দেশ। সেটি একবার নয়, দুইবার।

এই হামলাগুলো ছিল একদমই অপ্রত্যাশিত ও অভূতপূর্ব বিমান হামলা। ইরানিদের শঙ্কা, এবারও এমন কিছুই হতে পারে।

তবে আবার যুদ্ধের শুরু থেকে একদম সাধারণ ইরানিদের মধ্যে প্রতিরোধের আকাঙ্খা দেখা গেছে। এসব মানুষ দিনে ও রাতে সরকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন এবং এখনো দিচ্ছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

যুদ্ধবিরতি শেষের দিকে, আতঙ্কিত সাধারণ ইরানিরা

আপডেট সময় : ০৮:২১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে আসছে। গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতিটি ২২ এপ্রিল শেষ হয়ে যাবে। আর এমন পরিস্থিতিতে আবারও আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন সাধারণ ইরানিরা। সঙ্গে তারা ক্ষুব্ধও।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সাংবাদিক তৌহিদ আসাদি রোববার (১৯ এপ্রিল) তেহরান থেকে বলেছেন, ইরানিদের মধ্যে বিভিন্ন অনুভূতি দেখতে পাচ্ছেন তিনি।

তৌহিদ আসাদি বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংঘাতের সমাধান হবে, ইরানিদের মধ্যে এমন আশা আছে। যদিও এটি খুবই কম। বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল তখন সাধারণ মানুষ আশা দেখেছিলেন। কারণ চুক্তি হলে মার্কিনিরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতো, এতে সাধারণ জনগণের জীবনমানের উন্নতি হতো। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের অনেক ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।

কিন্তু যখন ভবিষ্যতের দিকে তারা তাকান তখন তারা হতাশ হন এবং তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে।

 

তৌহিদ বলেছেন, আমরা জানি ইরানিরা খুবই আতঙ্কিত। তারা শুধুমাত্র যুদ্ধের ছায়ার জন্যই আতঙ্কিত নন, হঠাৎ করে কি হয় তা নিয়েও আতঙ্কিত। এমনকি যুদ্ধবিরতির মাঝেও তারা আতঙ্কিত।

কারণ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যখন দেশটির নেতারা আলোচনা করছিলেন তখনই হামলার শিকার হয়েছে তাদের দেশ। সেটি একবার নয়, দুইবার।

এই হামলাগুলো ছিল একদমই অপ্রত্যাশিত ও অভূতপূর্ব বিমান হামলা। ইরানিদের শঙ্কা, এবারও এমন কিছুই হতে পারে।

তবে আবার যুদ্ধের শুরু থেকে একদম সাধারণ ইরানিদের মধ্যে প্রতিরোধের আকাঙ্খা দেখা গেছে। এসব মানুষ দিনে ও রাতে সরকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন এবং এখনো দিচ্ছেন।

সূত্র: আলজাজিরা