ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক।

দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / 70
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠে মাটি খুঁড়ে সোহেল মিয়া (২৬) নামে এক নিখোঁজ যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রথমে একটি বিচ্ছিন্ন মাথা এবং পরে মাটি খুঁড়ে মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল মিয়া পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকার নূরুল ইসলাম ও জুলেখা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি পেশায় গাছ কাটার শ্রমিক ছিলেন।

স্বজনদের দাবি, গত ১৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন সোহেল। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে বুধবার সকালে কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করেন তার বাবা।

এদিকে বুধবার দুপুরে অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে একটি মানুষের মাথা দেখতে পান কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা মাথাটি নিখোঁজ সোহেলের বলে দাবি করেন।

পরে মাটি খুঁড়ে রাত পৌনে ৯টার দিকে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি গ্লাভসও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের শ্বশুর আলাল উদ্দিনের দাবি, সোহেলের ভগ্নিপতি সেলিম মিয়া কাজের কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। গাছ কাটার কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। সেলিমের বিরুদ্ধে সোহেলকে মারধরের অভিযোগও করেন তিনি। তবে ঘটনার পর থেকে সেলিম মিয়া এলাকায় নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে পিবিআইয়ের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে এবং ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হবে।

ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ

আপডেট সময় : ১২:৪২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠে মাটি খুঁড়ে সোহেল মিয়া (২৬) নামে এক নিখোঁজ যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রথমে একটি বিচ্ছিন্ন মাথা এবং পরে মাটি খুঁড়ে মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল মিয়া পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া এলাকার নূরুল ইসলাম ও জুলেখা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি পেশায় গাছ কাটার শ্রমিক ছিলেন।

স্বজনদের দাবি, গত ১৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন সোহেল। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে বুধবার সকালে কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করেন তার বাবা।

এদিকে বুধবার দুপুরে অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠে তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে একটি মানুষের মাথা দেখতে পান কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা মাথাটি নিখোঁজ সোহেলের বলে দাবি করেন।

পরে মাটি খুঁড়ে রাত পৌনে ৯টার দিকে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি গ্লাভসও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের শ্বশুর আলাল উদ্দিনের দাবি, সোহেলের ভগ্নিপতি সেলিম মিয়া কাজের কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। গাছ কাটার কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। সেলিমের বিরুদ্ধে সোহেলকে মারধরের অভিযোগও করেন তিনি। তবে ঘটনার পর থেকে সেলিম মিয়া এলাকায় নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে পিবিআইয়ের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে এবং ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হবে।

ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।