জনগণের অর্থে নির্মিত “উত্তর সুরমা সেতুবন্ধন”
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 103
সাময়িক ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেলেন হাজারো মানুষ — দ্রুত স্থায়ী অবকাঠামোর দাবি
নরসিংপুর থেকে জুড়াপানি পয়েন্ট হয়ে নোয়ারাই যাওয়ার পথে মৌলা গ্রামের অংশে অবস্থিত একটি ব্রীজ কয়েক মাস আগে ধসে পড়ে। ফলে ওই রাস্তায় চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি চরমে ওঠে। জরুরি সমাধান হিসেবে ব্রীজের পাশে একটি ছোট কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও তা দিয়ে শুধুমাত্র মোটরসাইকেল ও পথচারীরা পার হতে পারতেন।

ধসে পড়া ব্রীজের দুই পাশ খোলা থাকায় গত কয়েক মাসে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। গত ১৮ অক্টোবর শ্যামারগাঁওয়ের জয়নাল নামে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। এরপর উত্তর সুরমা এলাকার কয়েকজন তরুণ-যুবক স্বেচ্ছাসেবীভাবে এগিয়ে আসেন মানুষের চলাচলের জন্য একটি উপযোগী সেতু নির্মাণে।
প্রথমে তারা হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে গ্রুপ খুলে প্রচারণা চালান এবং সদস্য সংখ্যা বাড়ান। ধীরে ধীরে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ এ উদ্যোগে একাত্মতা প্রকাশ করে অনুদান পাঠান। দুই সপ্তাহের কাজ শেষে বাঁশ-কাঠ দিয়ে একটি নান্দনিক সেতু নির্মাণ করা হয়, যার নাম দেওয়া হয়েছে “উত্তর সুরমা সেতুবন্ধন”।
১৫ নভেম্বর, শনিবার, আসরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। দুর্ঘটনায় নিহত জয়নালের সন্তানরা ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন এবং দোয়ার মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
জনাব হাঃ মাওঃ বদরুল আমিন মাদানী, এড. সিরাজুল ইসলাম, মাওঃ ছাদিকুর রহমান, এস.এম শরিয়ত উল্লাহ, মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব আতাউর রহমান, কয়েছ আহমদ, আব্দুল করিম চন্দন, নূর মিয়া মেম্বার, আশিকুর রহমান মেম্বার, রফিকুর রহমান, আলাউর রহমান আলাল, এড. জায়েদ হাসান, দুদু মিয়া, আনোয়ার হোসেন, সেলিম আহমদ ও মোহাম্মদ ফখর উদ্দিন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন—
আবিদ রনি, সৈয়দ নেওয়াজ শরীফ, আদনান কাওছার রাজ্জাক, দিলোয়ার হোসেন ইমরান, সানোয়ার হোসেন, এখলাছুর রহমান আবিদ, মুহিব রহমান, মোহাম্মদ আল আমীন, ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক, আবু সুফিয়ান, আবু সালেহ বুরহান, সাইফুল ইসলাম, মুহিবুল ইসলাম মামুন, খালেদ আহমদ ও আয়াতুর রহমান প্রমুখ।
সবার দাবি
উপস্থিত বক্তারা পতিত ব্রীজটির দ্রুত স্থায়ী সংস্কার, পাশাপাশি উত্তর সুরমা এলাকার সব ভঙ্গুর রাস্তা-ঘাট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণের দাবি জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।






















