নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
- আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 254
মঙ্গলবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর বাস্তবায়িত ‘এস্টাব্লিশমেন্ট অব গ্লোবাল মেরিটাইম ডিসট্রেস অ্যান্ড সেফটি সিস্টেম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম (ইজিআইএমএনএস)’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত জয়েন্ট মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (জেএমআরসিসি) উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি প্রকল্পের আওতায় দেশের সাতটি উপকূলীয় এলাকায় স্থাপিত ৭টি কোস্টাল রেডিও স্টেশন এবং ৭টি লাইটহাউসেরও উদ্বোধন করেন। এগুলো স্থাপন করা হয়েছে কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, কুতুবদিয়া, চর কুকরি-মুকরি, নিঝুম দ্বীপ, দুবলার চর এবং কুয়াকাটায়। বাংলাদেশ সরকার ও কোরিয়ান ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ডের (ইডিসিএফ) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইজিআইএমএনএস প্রকল্প বাংলাদেশের নৌ-নিরাপত্তা জোরদার এবং উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগে পড়া জাহাজ ও নাবিকদের দ্রুত উদ্ধারসহায়তায় যুগান্তকারী মাইলফলক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সামুদ্রিক উদ্ধার সক্ষমতা অর্জন করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা (আইএমও)-এর সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা পূরণের সক্ষমতাও অর্জন করেছে, যা দেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সমুদ্র উপকূলে বিপদগ্রস্ত যেকোনো জাহাজ ও নাবিককে তাৎক্ষণিক শনাক্ত ও উদ্ধার করা সম্ভব হবে—এটি বাংলাদেশের জন্য বড় একটি সামুদ্রিক সাফল্য। তিনি অর্থায়ন ও সহযোগিতার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল বাসারসহ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন এবং কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্পের আওতায় গড়ে ওঠা এই অবকাঠামো নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক কনভেনশন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






















