প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে কাজের সুযোগ স্পষ্ট করলেন আলী রীয়াজ
- আপডেট সময় : ১২:৩১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 203
প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন এতে বিদ্যমান আইন ও নৈতিকতার কোনো বাধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের টাউন হলের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটের প্রচার নিয়ে সরকার এমন কিছু করছে না, যার কোনো পূর্ববর্তী নজির নেই। তিনি বলেন, “নৈতিকতা ও আইনের দৃষ্টিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ইতিবাচক প্রচারে কোনো বাধা নেই। একই সঙ্গে জনগণের ‘না’ ভোট দেওয়ার অধিকারও সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন থাকবে।”
রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশে যেন অতীতের একক ক্ষমতাকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যেই জুলাই সনদের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রীয় রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে এই সনদ কার্যকর হলে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলী রীয়াজ জানান, জুলাই সনদের আলোকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো সাধারণ সংশোধনী নয়, বরং সংবিধান সংস্কারের একটি প্রক্রিয়া যাতে ভবিষ্যতে আদালতে এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে, সে জন্য সংসদকে বিশেষ কনস্টিটুয়েন্ট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
গণভোটের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো অনেক মানুষের প্রতিনিধিত্ব করলেও সমাজে বিপুলসংখ্যক মানুষ আছেন, যারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁদের মতামত ও সম্মতি গ্রহণের লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের মালিক জনগণ এই গণভোট সেই মালিকানার বাস্তব চর্চা।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং রেঞ্জ ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া। বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।






















