রমজানে ময়মনসিংহে ফলের বাজারে আগুন, কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে আড়াইশ টাকা
- আপডেট সময় : ০১:০৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 201
ময়মনসিংহের বাজারগুলোতে সবজির বাড়তি দাম নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন অনেকটা নীরবেই চড়া রয়েছে ফলের বাজার। পবিত্র রমজান শুরু হতেই দেশি-বিদেশি প্রায় সব ধরনের ফলের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে আড়াইশ টাকা পর্যন্ত। পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা এর জন্য বাজার সিন্ডিকেটকে দায়ী করলেও, ভোক্তা অধিদপ্তর বলছে—অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ মিললেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আপেল, মাল্টা, আঙুর, বেদানা, কমলা, নাশপাতি থেকে শুরু করে দেশি ফল কলা, পেঁপে ও পেয়ারা—সব ধরনের ফলই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরুতেই দেশি ফলের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। অন্যদিকে বিদেশি ফলের ক্ষেত্রে কোনো কোনো ফলের দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।
ক্রেতাদের অভিযোগ, চাহিদা বাড়ার সুযোগে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভ করছেন। বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের পক্ষেই নিয়মিত ফল কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই বাড়তি দামে ফল কিনতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাদের দাবি, আড়ত পর্যায়ে একটি সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে।
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ কার্যালয়ের উপপরিচালক রিনা বেগম বলেন, “ফলের বাজার নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদে দামের অসংগতি পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে আমদানি করা হয় প্রায় ৩৮ ধরনের ফল। বছরে মোট চাহিদা প্রায় ৬ লাখ টন হলেও শুধু রমজান মাসেই এর চাহিদা ৯০ হাজার টনের বেশি থাকে। অতিরিক্ত এই চাহিদাকে কেন্দ্র করেই বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রমজানে ইফতারের টেবিলে ফলের চাহিদা থাকলেও, বাড়তি দামে সেই ফল এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে গেছে।






















