ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

বাবার খনন করা খাল ৪৭ বছর পর পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 115
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দীর্ঘ ৪৭ বছর পর আবারও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ঐতিহাসিক বৈলর ইউনিয়নের কানহর গ্রামে ‘ধরার খাল’। যে খাল একসময় খনন করেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সেই খালের পুনঃখননের উদ্বোধন করতে শনিবার (২৩ মে) ত্রিশালে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সফরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীর তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালারও উদ্বোধন করবেন তিনি।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের দরিয়ারপুর গ্রামের ধরার খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টিকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত সফরে ত্রিশালে এসে স্থানীয় ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খালের পরিমাপ ও খনন কার্যক্রমে যুক্ত হন। তবে এর আগেই ১৯৭৬-৭৭ সালে দেশব্যাপী যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল, ত্রিশালের এ খালও ছিল সেই কর্মসূচির অংশ।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে দরিরামপুর ধরার খাল খনন করেছিলেন। জনপ্রত্যাশার প্রেক্ষিতে ৪৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও সেই খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও ময়মনসিংহবাসীর আরও নানা প্রত্যাশা তিনি পূরণ করবেন।

ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, বাবার খনন করা খালের পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলবেন। পরে নজরুল একাডেমির ডাকবাংলোয় বিশ্রাম নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় নজরুল জন্মজয়ন্তীর তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে অডিটরিয়ামে জেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

দুই দশক পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জন্মজয়ন্তীর রাষ্ট্রীয় আয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে পুরো এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ সফর ঘিরে উন্নয়ন ও সংস্কারের নতুন ঘোষণা আসবে।

১৯১৪ সালে দারোগা রফিজ উল্লাহ আসানসোলের একটি রুটির দোকান থেকে কিশোর নজরুল ইসলামকে ময়মনসিংহের ত্রিশালের কাজির শিমলা গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে একটি বৈঠকখানায় থাকতেন নজরুল। পাশের পুকুরে গোসল করতেন, ছুটে বেড়াতেন গ্রামজুড়ে।

 

পরে তাকে দরিরামপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। স্কুলটি বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বর্ষাকালে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো তাকে। পরে নামাপাড়া বিচুতিয়া বেপারি বাড়িতে লজিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় অভিমান করে কাউকে কিছু না জানিয়ে কুমিল্লায় চলে যান নজরুল। এরপর আর কোনোদিন ত্রিশালে ফিরে আসেননি তিনি।

নজরুলের স্মৃতি ধরে রাখতে কাজির শিমলা দারোগা বাড়ি ও বিচুতিয়া বেপারি বাড়িতে গড়ে তোলা হয়েছে দুটি নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। তবে জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যায় কেন্দ্র দুটি এখন অনেকটাই অবহেলিত।

রফিজউল্লাহ দারোগার নাতি কাজী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ১৯১৪ সালের জুন মাসে আমার দাদা নজরুলকে গ্রামে নিয়ে আসেন। তার মেধা দেখে সবাইকে যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নজরুল ছিল খুবই দুরন্ত প্রকৃতির। বর্ষাকালে এখান থেকে স্কুলে যেতে তার খুব কষ্ট হতো। তাই প্রায় দেড় বছর পর তাকে নামাপাড়ার লজিংয়ে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, রফিজউল্লাহ দারোগার কারণেই আজ নজরুলের এই ইতিহাস। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এখানে তার স্মৃতি রক্ষার্থে দুইতলা ভবন নির্মাণ করা হলেও সেটি অনেকটাই অবহেলায় পড়ে আছে। দেখার মতো আছে শুধু তার ব্যবহৃত খাট, কয়েকটি ছবি ও বই। এখানে আসার রাস্তাটিও ভাঙাচোরা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি থাকবে স্মৃতিকেন্দ্র আধুনিকায়ন ও রাস্তাটি সংস্কারের।

নজরুল স্মৃতি কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মো. ফয়জুল্লাহ রুমেল বলেন, বিচুতিয়া বেপারি বাড়ির কেন্দ্র থেকেই দুটি স্মৃতি কেন্দ্র পরিচালিত হয়। দুই কেন্দ্রেই শিশুদের জন্য নজরুল সংগীত প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান জানান, কবি নজরুলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দরিরামপুর স্কুল মাঠে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকবে আলোচনা সভা, নজরুল মেলা, বইমেলা, নাচ, গান, আবৃত্তি ও পালাগান। একই সঙ্গে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবার খনন করা খাল ৪৭ বছর পর পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

 

দীর্ঘ ৪৭ বছর পর আবারও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ঐতিহাসিক বৈলর ইউনিয়নের কানহর গ্রামে ‘ধরার খাল’। যে খাল একসময় খনন করেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সেই খালের পুনঃখননের উদ্বোধন করতে শনিবার (২৩ মে) ত্রিশালে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সফরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীর তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালারও উদ্বোধন করবেন তিনি।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের দরিয়ারপুর গ্রামের ধরার খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টিকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত সফরে ত্রিশালে এসে স্থানীয় ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খালের পরিমাপ ও খনন কার্যক্রমে যুক্ত হন। তবে এর আগেই ১৯৭৬-৭৭ সালে দেশব্যাপী যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল, ত্রিশালের এ খালও ছিল সেই কর্মসূচির অংশ।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে দরিরামপুর ধরার খাল খনন করেছিলেন। জনপ্রত্যাশার প্রেক্ষিতে ৪৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও সেই খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও ময়মনসিংহবাসীর আরও নানা প্রত্যাশা তিনি পূরণ করবেন।

ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, বাবার খনন করা খালের পুনঃখননের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলবেন। পরে নজরুল একাডেমির ডাকবাংলোয় বিশ্রাম নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় নজরুল জন্মজয়ন্তীর তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে অডিটরিয়ামে জেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

দুই দশক পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জন্মজয়ন্তীর রাষ্ট্রীয় আয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে পুরো এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ সফর ঘিরে উন্নয়ন ও সংস্কারের নতুন ঘোষণা আসবে।

১৯১৪ সালে দারোগা রফিজ উল্লাহ আসানসোলের একটি রুটির দোকান থেকে কিশোর নজরুল ইসলামকে ময়মনসিংহের ত্রিশালের কাজির শিমলা গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে একটি বৈঠকখানায় থাকতেন নজরুল। পাশের পুকুরে গোসল করতেন, ছুটে বেড়াতেন গ্রামজুড়ে।

 

পরে তাকে দরিরামপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। স্কুলটি বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বর্ষাকালে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো তাকে। পরে নামাপাড়া বিচুতিয়া বেপারি বাড়িতে লজিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় অভিমান করে কাউকে কিছু না জানিয়ে কুমিল্লায় চলে যান নজরুল। এরপর আর কোনোদিন ত্রিশালে ফিরে আসেননি তিনি।

নজরুলের স্মৃতি ধরে রাখতে কাজির শিমলা দারোগা বাড়ি ও বিচুতিয়া বেপারি বাড়িতে গড়ে তোলা হয়েছে দুটি নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। তবে জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যায় কেন্দ্র দুটি এখন অনেকটাই অবহেলিত।

রফিজউল্লাহ দারোগার নাতি কাজী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ১৯১৪ সালের জুন মাসে আমার দাদা নজরুলকে গ্রামে নিয়ে আসেন। তার মেধা দেখে সবাইকে যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নজরুল ছিল খুবই দুরন্ত প্রকৃতির। বর্ষাকালে এখান থেকে স্কুলে যেতে তার খুব কষ্ট হতো। তাই প্রায় দেড় বছর পর তাকে নামাপাড়ার লজিংয়ে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, রফিজউল্লাহ দারোগার কারণেই আজ নজরুলের এই ইতিহাস। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এখানে তার স্মৃতি রক্ষার্থে দুইতলা ভবন নির্মাণ করা হলেও সেটি অনেকটাই অবহেলায় পড়ে আছে। দেখার মতো আছে শুধু তার ব্যবহৃত খাট, কয়েকটি ছবি ও বই। এখানে আসার রাস্তাটিও ভাঙাচোরা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি থাকবে স্মৃতিকেন্দ্র আধুনিকায়ন ও রাস্তাটি সংস্কারের।

নজরুল স্মৃতি কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মো. ফয়জুল্লাহ রুমেল বলেন, বিচুতিয়া বেপারি বাড়ির কেন্দ্র থেকেই দুটি স্মৃতি কেন্দ্র পরিচালিত হয়। দুই কেন্দ্রেই শিশুদের জন্য নজরুল সংগীত প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান জানান, কবি নজরুলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দরিরামপুর স্কুল মাঠে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকবে আলোচনা সভা, নজরুল মেলা, বইমেলা, নাচ, গান, আবৃত্তি ও পালাগান। একই সঙ্গে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।