কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আগের থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই উত্তেজনা থেকেই সকালে লাউ কুড়ার মাঠে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কাশেম চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ গ্রুপ এবং বিএনপি নেতা নজিরের অনুসারীরা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শুরু হয় সংঘর্ষ, যা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অনেকেই আহত হন। তাদের মধ্যে নজির গ্রুপের আহতের সংখ্যাই বেশি—২১ জন। গুরুতর আহত আসাদ ও কাতল মিয়াকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া কয়েকজনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, আর বাকিদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঈদের আগ থেকেই এক পক্ষ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং দেশীয় অস্ত্র জড়ো করছিল। যদিও পরিকল্পনা মতো ঈদের দিন কিছু হয়নি, তবে আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি চলছিল। সকালে সেই উত্তেজনাই বড় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মিঠামইন থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি ফিরেছে, তবে স্থানীয়দের মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে।