কোভিড-১৯ এর প্রকৃত ভুক্তভোগী ১৭তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদন বঞ্চিত ৭৩৯ জন প্রার্থীদের আইনগত জটিলতা কেটে যাওয়ার পরও হয়রানির শেষ কোথায়।
- আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
- / 122
প্রিয়,
সাংবাদিকবৃন্দ ও সচেতন মহল, আসসালামু আলাইকুম
বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে আমরা NTRCA এর অধীনে ১৭তম নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ২৩/০৯/২০২০ ইং প্রকাশিত বিজ্ঞত্তিতে আবেদন করি। পরবর্তীতে করোনা মহামারী ও NTRCA এর দাপ্তরিক কারনে আমাদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে ০৪ (চার) বদর সময় অতিবাহিত হয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ইং সালে উত্তীর্ণ। এমতাবস্থায়, ১৭ তম নিবন্ধনধারীদের নিয়োগের নিমিত্তে NTRCA এম গণবিজ্ঞধিতে আমাদের বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে উক্ত সময় ক্ষেপণ (যা ৭:৩৯ জন আওভার বাইরে দিস) এর বিষয়টি বিবেচনায় গ্রহণ করা হয়নি।
NTRCA ১ বন্দরের পরীক্ষা। বন্দর সময় নিয়ে করার ফলে আমাদের ৩৬ উর্ধ্বে হওয়ার বিধায় তাদের দায় স্বীকার আবেদনের সুযোগ প্রদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৬৪/০৩/২৪ ইং তারিখে প্রস্তাবনা পাঠায়াবিক অভারে দুঃখ এবং পরিতাপের বিষষ হল আমরা ৭৩১ জনের আবেদনর সুযোগ সৃষ্টি না করেই NTRCA ৩১ মার্চ ২০২৪ সালে ৫ম গণবিজ্ঞঞ্জি প্রকাশ করে।এম বনকিজ্ঞারিতে প্রায় এক লঙ্ক পদের বিপরীতে মাত ২০ হাজার এনটিআরসিএ সুপারিশ করে।। আমরা হতভাগা কপালদোড়া দিশেহারা হবে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছি। সর্বশেষ এনটিআরসিএ করোনার প্রকৃত ভুক্তভোগী বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা এং উচ্চোদের নিয়েগা দেওয়ার পঞ্জীর থাকায় আবার এই আগষ্ট ২০২৪ সালে আমাদের নিয়ে বিশেষ বিজ্ঞন্তি প্রকাশের অনা পূর্ণরায় প্রস্থাবনা পাঠায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবার আইনগত জটিলতা সাপেক্ষে মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টার সম্মতিক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং এর অনা পাঠায়। পরবর্তীতে আইন ও বিচার বিভাগের মতামত অনুবিভাগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবার এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ থেকে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির ব্যাপারে রূপরেখা যায়। NTRCA
গত ২২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখের ৩৭.০৫.০০০০.০০৫.০৪.০০৯.৩৩৫ সংখ্যক স্মারক কর্তৃক রপরেখায় উল্লেখা আছে যে,১৭ তম ব্যাচের
কোন রিভিউ মামলা চলমান নাই। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ প্রয়োজনীয় সিদ্ধাজ্য গ্রহণ করতে পারে মর্মে মতামত প্রদান করে।
এদাড়া আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা ৫ এর ১০.০০.০০০০.১৩৫৩৩.০৩৮/২০২৪/রিট-২)-২৫ সংখ্যক স্মারকের মতামত ও উল্লেখ আদেশে
মাননীয় আপীল বিভাগের রার অনুযায়ী, সনদের মেয়াদ ৩ বছর থাকা সাংপণ্যস্ত করোনাকালীন বিষয়াদি বিবেচনায় নিয়ে ১৭ তম ব্যায়ারে ৩৫ বছর ঊর্ধ্বে প্রার্থীগণের ক্ষেত্রে কোন তারিখে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ নির্ধারিত হবে সে বিষয়ে যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে মর্মে মতামত দিয়েছে। এমনকি আইন ও বিচার বিভাগের মতামত অনুবিভাগ থেকে তার বিবেচাপত্রের ভাষ্যমাত এনটিজারটিএ কর্তৃত প্রত্যেক গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন তাজিমে সর্বোচ্চদ্ধ বরস গণ্য করা হবে, তা কর্তৃপায়ের যুক্তিসংগত বিবেচনার উপর নির্ভরশীল হয়েছে এবং বয়দের ঘাড় দিয়েছে।
এখন আমাদের দাবী হচ্ছে যে, ১৭ তম ব্যাচের কোন মামলা পেন্ডিং নাই বিধায় আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত
ও এনটিআরসিএ এর রূপরেখা সাপেক্ষে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা। এমনকি বিভিন্ন দস্তার দন্তরে ১৭ তম বাচের প্রার্থীদের ভাইল নিয়ে তালবাহানা চলবে না। এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য যে, এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে হলে এমপিও নীতিমালা অনুসারে প্রার্থীদের বায়াদ থাকতে হবে ৩৫, সনদের মেয়াদ ৩ বদর
অথচ আমাদের সনদের মেয়াদ ও কদর থাকা সত্ত্বেও একটিবারের জন্য আবেদন করতে পারেনি।
এনটিআরসি এর নীতিমালায় আছে ০১ এক বদরের মধ্যে একটি পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে কিন্তু ১৭ তম ব্যাচের ক্ষেতে ০৯
বছরের পরীক্ষা ০৪ বছরের বেশি সময় অতিবাহিত করে অর্থাৎ
আমরা ২০২০ সালের সার্টিফিকেট ২০২৪ সালে পেযেদি
বিনীত নিবেদক
এনটিআরসিএ কর্তৃক পাসকৃত (কোন্ডিড-১৯) এর প্রকৃত ভুক্তভোগী ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের পক্ষে
১) জমির উদ্বীন ০১৮২৯৮৭২২৬৭/হোয়াটসঅ্যাপ)
০১৮২৩৯৩১৫০০






















