ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক।

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলো ৮ জন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 164
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা বিভাগের ১৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৮ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থীরা রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, এখন (বিকেল ৪টা) পর্যন্ত ঢাকা বিভাগের ১৩টি আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। প্রত্যাহার করা প্রার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ইসলামী ও বামধারার রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। প্রত্যাহারকারীদের তালিকায় ঢাকা-১০ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী রয়েছেন। ঢাকা-১৮ আসন থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী বিলকিস নাসিমা রহমান এবং একই আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহম্মদ আশরাফুল হক তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

এছাড়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহসানউল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের আরেক প্রার্থী মো. রিফাত হোসেন মালিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। একইদিনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. এমদাদুল হক সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

এদিকে ঢাকা-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মোখলেছুর রহমান কাছেমী এবং ঢাকা-৯ আসন

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এসব আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর প্রার্থীতালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের এই প্রবণতা আসনভিত্তিক সমঝোতা, জোটগত হিসাব এবং নির্বাচনী কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা শহরের কয়েকটি আসনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় বা কৌশলগত সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে ঢাকার ১৩টি আসনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩টি আসনে মোট ২৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ১৭৪ জন। যাচাই-বাছাই শেষে ১১৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৫৪টি মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ঢাকা-১৮ আসনের ১টি মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়, যদিও পরবর্তী সময়ে সেই মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

আসনভিত্তিক হিসাবে ঢাকা-১৭ আসনে সবচেয়ে বেশি, ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন গ্রহণ করেছিলেন। অন্যদিকে ঢাকা-১২ আসনে মনোনয়ন গ্রহণ করেছিলেন ২৮ জন। যাচাই-বাছাইয়ে একাধিক আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মনোনয়ন বাতিল হয়, বিশেষ করে ঢাকা-১৮, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৭ আসনে বাতিলের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলো ৮ জন

আপডেট সময় : ১২:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা বিভাগের ১৩টি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৮ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থীরা রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, এখন (বিকেল ৪টা) পর্যন্ত ঢাকা বিভাগের ১৩টি আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। প্রত্যাহার করা প্রার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ইসলামী ও বামধারার রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। প্রত্যাহারকারীদের তালিকায় ঢাকা-১০ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী রয়েছেন। ঢাকা-১৮ আসন থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী বিলকিস নাসিমা রহমান এবং একই আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহম্মদ আশরাফুল হক তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

এছাড়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহসানউল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের আরেক প্রার্থী মো. রিফাত হোসেন মালিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। একইদিনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. এমদাদুল হক সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

এদিকে ঢাকা-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মোখলেছুর রহমান কাছেমী এবং ঢাকা-৯ আসন

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এসব আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর প্রার্থীতালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের এই প্রবণতা আসনভিত্তিক সমঝোতা, জোটগত হিসাব এবং নির্বাচনী কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা শহরের কয়েকটি আসনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় বা কৌশলগত সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে ঢাকার ১৩টি আসনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩টি আসনে মোট ২৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ১৭৪ জন। যাচাই-বাছাই শেষে ১১৯টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৫৪টি মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ঢাকা-১৮ আসনের ১টি মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়, যদিও পরবর্তী সময়ে সেই মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

আসনভিত্তিক হিসাবে ঢাকা-১৭ আসনে সবচেয়ে বেশি, ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন গ্রহণ করেছিলেন। অন্যদিকে ঢাকা-১২ আসনে মনোনয়ন গ্রহণ করেছিলেন ২৮ জন। যাচাই-বাছাইয়ে একাধিক আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মনোনয়ন বাতিল হয়, বিশেষ করে ঢাকা-১৮, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৭ আসনে বাতিলের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল।