ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কমলগঞ্জে মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ। মধুপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ২৫ বিতাড়িত হওয়ার দুই দশক পর ফের কলকাতায় তসলিমা নাসরিন ‘আর অনলাইনে আসা হবে না’ পোস্টের পরদিন খালে মিলল গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ ৮ বছরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন, বদলায়নি বর্ধিত ওয়ার্ডের চিত্র মে ও জুন মাসে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা নির্বাচিত এসআই এনামুল হক উবহাটা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় কাজ করতে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রিপন তরফদার মোবাইল চুরির অপবাদে নাতিকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে দাদা খুন: দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার ময়মনসিংহে ডিবি-থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আরও ৯ ছিনতাইকারী গ্রেফতার ময়মনসিংহে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৮ বছরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন, বদলায়নি বর্ধিত ওয়ার্ডের চিত্র

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • / 19
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন হওয়ার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বর্ধিত ১২টি ওয়ার্ডের অনেক এলাকায় নাগরিক সেবার দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স ও অন্যান্য কর পরিশোধ করলেও ভাঙাচোরা সড়ক, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা, সড়কবাতির অভাব ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, করের আওতায় এলেও প্রত্যাশিত সেবা মেলেনি।

 

সম্প্রতি নগরের ২৯, ৩১ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বহু সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। কোথাও ড্রেন নির্মাণের কাজ অসমাপ্ত, কোথাও রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। অনেক এলাকায় নেই সড়কবাতি বা নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা।

২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর বাইপাস থেকে উত্তর দাপুনিয়া হয়ে হাড়গুজিরপাড় লিয়াকতের মোড় পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে সড়কটির বড় ধরনের সংস্কার হয়নি। দুই বছর আগে রাস্তার চেয়ে অনেক উঁচু করে ড্রেন নির্মাণ করায় বর্ষায় পানি নামতে না পেরে উল্টো বাড়িঘরে ঢুকে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডটি সিটি করপোরেশনের কর অঞ্চলের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত। সর্বশেষ কর হার অনুযায়ী ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত এলাকার আবাসিক পাকা অবকাঠামোর জন্য দেড় টাকা, বাণিজ্যিক অবকাঠামোর জন্য ৩ টাকা, শিল্পের জন্য ৩.৭৫ টাকা। সেমি পাকা আবাসিক অবকাঠামোর জন্য ১.২০ টাকা, বাণিজ্যিক ১.৯০ টাকা, শিল্পের জন্য ৩ টাকা এবং কাঁচা আবাসিক অবকাঠামোর জন্য ১ টাকা, বাণিজ্যিক দেড় টাকা ও শিল্পের জন্য ২.২৫ টাকা বর্গফুট হারে কর দিতে হয় বাসিন্দাদের।

 

ওই ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম বলেন, নাগরিক সুবিধা না থাকায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের চলাচলও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অথচ অনেক পরিবার বছরে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছেন।

উত্তর দাপুনিয়ার বাসিন্দা রুমেজা খাতুন বলেন, কর দিলেও এখনো ভালো রাস্তা, কার্যকর ড্রেনেজ কিংবা সড়কবাতির সুবিধা পাননি। বর্ষায় বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে, রাতে অন্ধকারে চলাচল করতে হয়।

নগরের কাচারিঘাট এলাকা দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে জয় বাংলা বাজার যাওয়ার সড়কটি খানাখন্দে হেলেদুলে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার সড়কটির সংস্কারকাজ প্রায় চার বছর আগে শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে পড়ে। সিটি করপোরেশনের আওতায় এলেও চর ঈশ্বরদিয়া গ্রামটিতে নেই সড়কবাতি, নেই ময়লা ফেলার ডাস্টবিন কিংবা নালার ব্যবস্থা।

এলাকার বাসিন্দা জোমিলা খাতুন বছরে প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা কর দেন। তিনি বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্সের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ ও পানির নামে কর নেওয়া হলেও তাদের এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পানি সরবরাহ কিংবা মশকনিধন কার্যক্রমের কোনো সুবিধা নেই।

৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ছাতিয়ানকান্দা সেন্ট্রাল কলেজ মোড় থেকে লক্ষ্মীপুর সড়ক প্রায় এক বছর আগে খোঁড়ার পর কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় দোকানি আশরাব আলীর ভাষ্য, সিটি করপোরেশন হওয়ার পর তাদের শুধু করের বোঝাই বেড়েছে, নাগরিক সেবা বাড়েনি।

 

৩২ নম্বর ওয়ার্ডের চর কালিবাড়ি এলাকাতেও এক বছরের বেশি সময় ধরে ড্রেন নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। রাস্তার তুলনায় প্রায় চার ফুট উঁচু ড্রেনের কারণে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, পানি জমে থাকে, রাতে সড়কবাতি না থাকায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সাবেক পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের সঙ্গে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশবিশেষ যুক্ত করে ১২টি নতুন ওয়ার্ড নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। বর্তমানে ২২ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলিয়ে বর্ধিত এলাকায় প্রায় ৪৭৬ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে ২২১ কিলোমিটার পাকা হলেও ২৫৫ কিলোমিটার এখনো কাঁচা। এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী ১০৯ কিলোমিটার ড্রেন, ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন এবং ১৩৯ কিলোমিটার এলাকায় সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্ধিত ওয়ার্ডে চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার উন্নয়নকাজের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, আরেকটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সিটি করপোরেশনের প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো কর বাড়ানো হয়নি। বরং বিভিন্ন এলাকায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্ধিত এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসন এবং একটি শিশু পার্ক নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৮ বছরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন, বদলায়নি বর্ধিত ওয়ার্ডের চিত্র

আপডেট সময় : ১২:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন হওয়ার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বর্ধিত ১২টি ওয়ার্ডের অনেক এলাকায় নাগরিক সেবার দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স ও অন্যান্য কর পরিশোধ করলেও ভাঙাচোরা সড়ক, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ, জলাবদ্ধতা, সড়কবাতির অভাব ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, করের আওতায় এলেও প্রত্যাশিত সেবা মেলেনি।

 

সম্প্রতি নগরের ২৯, ৩১ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বহু সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। কোথাও ড্রেন নির্মাণের কাজ অসমাপ্ত, কোথাও রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। অনেক এলাকায় নেই সড়কবাতি বা নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা।

২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর বাইপাস থেকে উত্তর দাপুনিয়া হয়ে হাড়গুজিরপাড় লিয়াকতের মোড় পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে সড়কটির বড় ধরনের সংস্কার হয়নি। দুই বছর আগে রাস্তার চেয়ে অনেক উঁচু করে ড্রেন নির্মাণ করায় বর্ষায় পানি নামতে না পেরে উল্টো বাড়িঘরে ঢুকে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডটি সিটি করপোরেশনের কর অঞ্চলের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত। সর্বশেষ কর হার অনুযায়ী ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত এলাকার আবাসিক পাকা অবকাঠামোর জন্য দেড় টাকা, বাণিজ্যিক অবকাঠামোর জন্য ৩ টাকা, শিল্পের জন্য ৩.৭৫ টাকা। সেমি পাকা আবাসিক অবকাঠামোর জন্য ১.২০ টাকা, বাণিজ্যিক ১.৯০ টাকা, শিল্পের জন্য ৩ টাকা এবং কাঁচা আবাসিক অবকাঠামোর জন্য ১ টাকা, বাণিজ্যিক দেড় টাকা ও শিল্পের জন্য ২.২৫ টাকা বর্গফুট হারে কর দিতে হয় বাসিন্দাদের।

 

ওই ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম বলেন, নাগরিক সুবিধা না থাকায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের চলাচলও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অথচ অনেক পরিবার বছরে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছেন।

উত্তর দাপুনিয়ার বাসিন্দা রুমেজা খাতুন বলেন, কর দিলেও এখনো ভালো রাস্তা, কার্যকর ড্রেনেজ কিংবা সড়কবাতির সুবিধা পাননি। বর্ষায় বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে, রাতে অন্ধকারে চলাচল করতে হয়।

নগরের কাচারিঘাট এলাকা দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে জয় বাংলা বাজার যাওয়ার সড়কটি খানাখন্দে হেলেদুলে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার সড়কটির সংস্কারকাজ প্রায় চার বছর আগে শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে পড়ে। সিটি করপোরেশনের আওতায় এলেও চর ঈশ্বরদিয়া গ্রামটিতে নেই সড়কবাতি, নেই ময়লা ফেলার ডাস্টবিন কিংবা নালার ব্যবস্থা।

এলাকার বাসিন্দা জোমিলা খাতুন বছরে প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা কর দেন। তিনি বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্সের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ ও পানির নামে কর নেওয়া হলেও তাদের এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পানি সরবরাহ কিংবা মশকনিধন কার্যক্রমের কোনো সুবিধা নেই।

৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ছাতিয়ানকান্দা সেন্ট্রাল কলেজ মোড় থেকে লক্ষ্মীপুর সড়ক প্রায় এক বছর আগে খোঁড়ার পর কাজ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় দোকানি আশরাব আলীর ভাষ্য, সিটি করপোরেশন হওয়ার পর তাদের শুধু করের বোঝাই বেড়েছে, নাগরিক সেবা বাড়েনি।

 

৩২ নম্বর ওয়ার্ডের চর কালিবাড়ি এলাকাতেও এক বছরের বেশি সময় ধরে ড্রেন নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। রাস্তার তুলনায় প্রায় চার ফুট উঁচু ড্রেনের কারণে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, পানি জমে থাকে, রাতে সড়কবাতি না থাকায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সাবেক পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের সঙ্গে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশবিশেষ যুক্ত করে ১২টি নতুন ওয়ার্ড নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। বর্তমানে ২২ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড মিলিয়ে বর্ধিত এলাকায় প্রায় ৪৭৬ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে ২২১ কিলোমিটার পাকা হলেও ২৫৫ কিলোমিটার এখনো কাঁচা। এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী ১০৯ কিলোমিটার ড্রেন, ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন এবং ১৩৯ কিলোমিটার এলাকায় সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্ধিত ওয়ার্ডে চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার উন্নয়নকাজের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, আরেকটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সিটি করপোরেশনের প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো কর বাড়ানো হয়নি। বরং বিভিন্ন এলাকায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্ধিত এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসন এবং একটি শিশু পার্ক নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।