ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা

মাছের চড়া দামে নাকাল ক্রেতারা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / 185
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুরগি ও সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম ওঠানামা করলেও মাছের দাম দীর্ঘদিন ধরে চড়া অবস্থায় রয়েছে। বাজারে সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, নজরদারি নেই বলে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় মাছের দাম কিছুটা চড়া যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।

শুক্রবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর রামপুরা-মালিবাগ এলাকার একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, কোরাল ৭৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা ও তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা।

বাজারে কিছু দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর দাম তুলনামূলক আরও বেশি। যেমন, বোয়াল বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায়, পোয়া ৪৫০ টাকা, আইড় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, টেংরা ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি কৈ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা এবং দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।

এদিকে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম সবসময়ই চড়া থাকে। আজকের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২২০০ টাকায়, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২৫০০ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা, আর ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, মাংস, মুরগি, ডিম, সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের দাম ওঠানামা করে, কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু মাছের বাজার। মাছের দাম দীর্ঘদিন ধরেই কমছে না। আজও বাজারে সব ধরনের মাছ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ মাছ কিনে খেতে পারছে না।

মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা আরেক ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাছের বাজারে এভাবে চড়া দাম চললেও কেউ দেখছে না, কেউ কিছু বলছেও না। মনিটরিং না থাকার কারণে যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো দাম বসিয়ে দিচ্ছে। বিক্রেতারা এমনভাবে কথা বলেন যেন আমরা কিনলে কিনি, না কিনলে নাই; অন্য অনেকে আছে কেনার জন্য।

দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরা বাজারের মাছ বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, আসলে মাছের দাম একটু বেশি ঠিকই, তবে এর পেছনে কারণও আছে। ফিড বা খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই উৎপাদন খরচ বাড়ছে। চাষিরা বেশি দামে মাছ তুলছে, পাইকাররাও দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। আমাদের হাতে তেমন কিছু থাকে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাছের চড়া দামে নাকাল ক্রেতারা

আপডেট সময় : ১১:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

মুরগি ও সবজিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম ওঠানামা করলেও মাছের দাম দীর্ঘদিন ধরে চড়া অবস্থায় রয়েছে। বাজারে সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, নজরদারি নেই বলে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় মাছের দাম কিছুটা চড়া যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।

শুক্রবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর রামপুরা-মালিবাগ এলাকার একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, কোরাল ৭৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা ও তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা।

বাজারে কিছু দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর দাম তুলনামূলক আরও বেশি। যেমন, বোয়াল বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকায়, পোয়া ৪৫০ টাকা, আইড় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, টেংরা ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি কৈ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা এবং দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।

এদিকে জাতীয় মাছ ইলিশের দাম সবসময়ই চড়া থাকে। আজকের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২২০০ টাকায়, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২৫০০ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা, আর ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, মাংস, মুরগি, ডিম, সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের দাম ওঠানামা করে, কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু মাছের বাজার। মাছের দাম দীর্ঘদিন ধরেই কমছে না। আজও বাজারে সব ধরনের মাছ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ মাছ কিনে খেতে পারছে না।

মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা আরেক ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাছের বাজারে এভাবে চড়া দাম চললেও কেউ দেখছে না, কেউ কিছু বলছেও না। মনিটরিং না থাকার কারণে যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো দাম বসিয়ে দিচ্ছে। বিক্রেতারা এমনভাবে কথা বলেন যেন আমরা কিনলে কিনি, না কিনলে নাই; অন্য অনেকে আছে কেনার জন্য।

দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরা বাজারের মাছ বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, আসলে মাছের দাম একটু বেশি ঠিকই, তবে এর পেছনে কারণও আছে। ফিড বা খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই উৎপাদন খরচ বাড়ছে। চাষিরা বেশি দামে মাছ তুলছে, পাইকাররাও দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। আমাদের হাতে তেমন কিছু থাকে না।