ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

‘খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তরুণরা ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মনিবেদন শিখবে’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 125
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মহানগর ক্রীড়া অঙ্গন কেবল একটি খেলার মাঠ নয়, এটি তরুণদের স্বপ্ন গড়ে তোলার একটি কেন্দ্র। এখানে যারা খেলবে, তারা শুধু জয় বা পরাজয়ের স্বাদই পাবে না, বরং জীবনের জন্য মূল্যবান শিক্ষা অর্জন করবে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তরুণরা ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মনিবেদন শিখবে। যা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সফল হতে সাহায্য করবে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারুক-ই-আজম বলেন, আমরা চাই তরুণরা মোবাইল ও প্রযুক্তির নেশা থেকে বের হয়ে আসুক। খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করলে তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকবে। একজন তরুণ মাঠে নামলে সে শুধু নিজের স্বাস্থ্যের উন্নয়নই করে না, বরং সমাজের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি জাতির প্রাণশক্তি। তরুণদের মাঝে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে এবং তাদেরকে মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন ধরনের ইভেন্টের আয়োজন করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশু-কিশোররা, বিশেষ করে যারা ফুটপাত ও অবহেলিত পরিবেশে বেড়ে উঠছে, তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার জন্য। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক নতুন প্রতিভা আবিষ্কার হবে, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পতাকা উড়াবে। আমি প্রত্যাশা করি, তরুণরা সবাই এগিয়ে আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

‘খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তরুণরা ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মনিবেদন শিখবে’

আপডেট সময় : ০১:৪০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, মহানগর ক্রীড়া অঙ্গন কেবল একটি খেলার মাঠ নয়, এটি তরুণদের স্বপ্ন গড়ে তোলার একটি কেন্দ্র। এখানে যারা খেলবে, তারা শুধু জয় বা পরাজয়ের স্বাদই পাবে না, বরং জীবনের জন্য মূল্যবান শিক্ষা অর্জন করবে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তরুণরা ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মনিবেদন শিখবে। যা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে সফল হতে সাহায্য করবে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারুক-ই-আজম বলেন, আমরা চাই তরুণরা মোবাইল ও প্রযুক্তির নেশা থেকে বের হয়ে আসুক। খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করলে তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকবে। একজন তরুণ মাঠে নামলে সে শুধু নিজের স্বাস্থ্যের উন্নয়নই করে না, বরং সমাজের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি জাতির প্রাণশক্তি। তরুণদের মাঝে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে এবং তাদেরকে মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন ধরনের ইভেন্টের আয়োজন করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশু-কিশোররা, বিশেষ করে যারা ফুটপাত ও অবহেলিত পরিবেশে বেড়ে উঠছে, তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার জন্য। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক নতুন প্রতিভা আবিষ্কার হবে, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পতাকা উড়াবে। আমি প্রত্যাশা করি, তরুণরা সবাই এগিয়ে আসবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়বে।