ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ৩৩ শিশু ভর্তি ওল্ড ঢাকা নাগরিক সমাজের সহ- সভাপতি মনোনীত আজাদ হোসেন কবির। ডিবি পরিচয়ে ফোন— রিমান্ডে নিয়ে পেটানো হচ্ছে, বাঁচতে লাগবে ১০ লাখ ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি আয় ৩০০০ কোটি ছাড়াল আমেরিকা বিএনপির মিলনমেলা ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ‘অসম চুক্তিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরাপত্তা জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে’ ভয়াবহ হামের প্রকোপ: হাসপাতালে ক্যানুলা-নলে জীবনযুদ্ধে হাজারো শিশু বৈঠকে বসছে ইসরায়েল-লেবানন, ‘স্বস্তির অবকাশ’ বললেন ট্রাম্প উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শীতকালে এই ৫টি ভুল আপনার শিশুর জন্য হতে পারে ‘বিষ’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 86
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের রোগবালাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অনেক সময় মা-বাবারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। চিকিৎসকরা এই ৫টি বিষয়কে শীতকালীন ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

১. শিশুকে ‘গাদাগাদি’ করে কাপড় পরানো : অনেক মা-বাবা মনে করেন যত বেশি কাপড়, তত বেশি সুরক্ষা। কিন্তু অতিরিক্ত কাপড়ে শিশু ঘেমে যেতে পারে। এই ঘাম শিশুর শরীরেই শুকিয়ে গিয়ে ‘সুয়েটিং কোল্ড’ বা মারাত্মক ঠান্ডা লাগার সৃষ্টি করে, যা থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে।

পরামর্শ: সুতি কাপড়ের কয়েকটি স্তর ব্যবহার করুন, যাতে ঘামলে সহজেই বোঝা যায়।

২. বদ্ধ ঘরে কয়লা বা লাকড়ির আগুন : গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, অনেক সময় শহরেও ঘর গরম রাখতে অনেকে কয়লা বা লাকড়ি জ্বালান। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা শিশুর শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

পরামর্শ: ঘর গরম রাখতে নিরাপদ রুম হিটার ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।

৩. সরাসরি ঠান্ডা পানি স্পর্শ করা : শিশুরা খেলাচ্ছলে সরাসরি ট্যাপের ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত ধোয়া বা কুলকুচি করে। এতে নিমেষেই তাদের সাইনাস বা টনসিলের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

পরামর্শ : হাত ধোয়া বা গোসলের জন্য সবসময় হালকা কুসুম গরম পানি নিশ্চিত করুন।

৪. কুয়াশার মধ্যে ভোরে বাইরে বের করা : অনেকে মনে করেন সকালের তাজা বাতাস ভালো, কিন্তু শীতের সকালের কুয়াশায় মিশে থাকে ধুলিকণা ও ক্ষতিকর জীবাণু। এই ‘স্মোগ’ শিশুদের ফুসফুসের জন্য বিষের সমান।

পরামর্শ : রোদ না ওঠা পর্যন্ত শিশুকে ঘরের বাইরে বের করবেন না। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করান।

৫. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা সিরাপ: সামান্য সর্দি-কাশি হলেই অনেক অভিভাবক ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছেমতো কফ সিরাপ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান। এটি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী লিভার ও কিডনি জটিলতার কারণ হতে পারে।

পরামর্শ : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ শিশুকে দেবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শীতকালে এই ৫টি ভুল আপনার শিশুর জন্য হতে পারে ‘বিষ’

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের রোগবালাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অনেক সময় মা-বাবারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। চিকিৎসকরা এই ৫টি বিষয়কে শীতকালীন ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

১. শিশুকে ‘গাদাগাদি’ করে কাপড় পরানো : অনেক মা-বাবা মনে করেন যত বেশি কাপড়, তত বেশি সুরক্ষা। কিন্তু অতিরিক্ত কাপড়ে শিশু ঘেমে যেতে পারে। এই ঘাম শিশুর শরীরেই শুকিয়ে গিয়ে ‘সুয়েটিং কোল্ড’ বা মারাত্মক ঠান্ডা লাগার সৃষ্টি করে, যা থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে।

পরামর্শ: সুতি কাপড়ের কয়েকটি স্তর ব্যবহার করুন, যাতে ঘামলে সহজেই বোঝা যায়।

২. বদ্ধ ঘরে কয়লা বা লাকড়ির আগুন : গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, অনেক সময় শহরেও ঘর গরম রাখতে অনেকে কয়লা বা লাকড়ি জ্বালান। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা শিশুর শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

পরামর্শ: ঘর গরম রাখতে নিরাপদ রুম হিটার ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।

৩. সরাসরি ঠান্ডা পানি স্পর্শ করা : শিশুরা খেলাচ্ছলে সরাসরি ট্যাপের ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত ধোয়া বা কুলকুচি করে। এতে নিমেষেই তাদের সাইনাস বা টনসিলের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

পরামর্শ : হাত ধোয়া বা গোসলের জন্য সবসময় হালকা কুসুম গরম পানি নিশ্চিত করুন।

৪. কুয়াশার মধ্যে ভোরে বাইরে বের করা : অনেকে মনে করেন সকালের তাজা বাতাস ভালো, কিন্তু শীতের সকালের কুয়াশায় মিশে থাকে ধুলিকণা ও ক্ষতিকর জীবাণু। এই ‘স্মোগ’ শিশুদের ফুসফুসের জন্য বিষের সমান।

পরামর্শ : রোদ না ওঠা পর্যন্ত শিশুকে ঘরের বাইরে বের করবেন না। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করান।

৫. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা সিরাপ: সামান্য সর্দি-কাশি হলেই অনেক অভিভাবক ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছেমতো কফ সিরাপ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান। এটি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী লিভার ও কিডনি জটিলতার কারণ হতে পারে।

পরামর্শ : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ শিশুকে দেবেন না।