পৃথক ঘটনায় নারী শিশুসহ ৫ জনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ।
- আপডেট সময় : ০১:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / 127
রাজধানীর পৃথক ঘটনায় নারী কিশোরীসহ পাঁচ জনের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা। চকবাজার মোঃ রাকিব(১৯),কামরাঙ্গীরচর সারিকা হোসেন লাবিবা(১৩),ভাটারা ইউনুস আলী(৩৩)চকবাজার সাজ্জাদ আলী নয়ন (২৪)ও হাজারীবাগ রুপা(২৬) ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার(৪ ফেব্রুয়ারি)সকাল থেকে রাতের মধ্যে মরদেহ উদ্ধার করেময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কামরাঙ্গীরচর থানাউপ-পরিদর্শক(এসআই) মোঃ ইমরান হোসেন জানান, আমরা খবর পেয়ে খালপাড় অটোস্ট্যান একটি বাসার দোতলা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান,আমরা তার বাবারসঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, লাবিবা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো তার মাদ্রাসায় পড়াশোনা ভালো লাগতোনা, পরে তার বাবার কাছে ওই ছাত্রী বললে তার বাবার আগমিত হয়ে তাকে শাসন করলে বাবার উপর অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে বলে আমরা জানতে পারি।তবুও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনে রিপোর্ট পেলে মৃত সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতে বাবা মোঃআমজাদ হোসেন জানান, আমার মেয়ে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো। আমার মেয়ের মাদ্রাসায় পড়ালেখা ভালো লাগতো স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য আমার কাছে বললে আমি তাকে শাসন করলে আমার উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
তিনি আরো জানান,আমাদের গ্রামের বাড়ি সে কি মাদ্রাসা বিক্রমপুর জেলার লৌহজং থানার কুকুটিয়া গ্রামে। বর্তমানে খালপাড় অটোরিকশা স্ট্যান্ড ৫৬ নং ওয়ার্ডের একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় থাকতো। আমার দুই মেয়ে লাবিবা বড়।
অপরদিকে,চকবাজারের রাকিব নামে এক ওয়ার্কশপ শ্রমিকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।
চকবাজার থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)মোঃজিল্লুর রহমানজানান,আমরা খবর পেয়ে চকবাজারের ওয়াটার রোড ষষ্ঠ তলা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দ্বারা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার বেলাবো থানা এলাকার মোঃ বাদল মিয়ার সন্তান। বর্তমানে ১৭/এ ষষ্ঠ তলায় ভাড়া থাকতো।
অপরদিকে,চকবাজার সাজ্জাদ আলী নয়ন নামের এক ফটোগ্রাফার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।
চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ কাউসার জানান, আমরা খবর পেয়ে আমরা খবর আছে চকবাজারের হোসনি দালান ১৭ নম্বর মিয়া গলি বাসায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে দিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতন্ত্রের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পারি পারিবারিক বিষয় নিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। গণতন্ত্রের জন্য রিপোর্ট পেলে মিত্র সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের নিজ বাসা বংশালের ১৭৮/৩ নম্বর রহমত আলী সন্তান।
অপরদিকে,ভাটারায় ইউনুস আলী নামেএক রিক্সাচালক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।
ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই)মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমরা খবর পেয়ে দাগ নং ২৬০৯ হাজী নাসির উদ্দিন রোড নূরেরচালা বোটঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে ইউনুস আলীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়ায় শেষে মরদেহ ময়নাতন্ত্রের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান,আমরা জানতে পেরেছি হতাশাগ্রস্থ হয়ে তার নিজরুমে সিলিংফ্যানে রশি দিয়ে গলায় পিছি আত্মহত্যা করে। তবু ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহতের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানা গুয়ারি গ্রামের বারেক মিয়ার সন্তান।
অপরদিকে হাজারীবাগে রুপা আক্তার নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান,গৃহবধূ রুপা নামের এক গৃহবধূ নিজের ঘরে ভিতর থেকে দরজা লক করে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকে। পরে তার শাশুড়ি দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রুপাকে মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরো জানান,প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।নিহতে গ্রামে বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানা চোদ্দো সোয়া গ্রামের মোঃ মুজাফফর ঢালীর কন্যা।


















