নাসিরাবাদে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস: দ্রুত বিচারের দাবি
- আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
- / 1554
নাসিরাবাদ ও আশপাশের এলাকায় সিহাব-সিফাতের বাহিনী একের পর এক লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। বাসাবাড়িতে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুরসহ নানা অপরাধ সংগঠিত করছে তারা। সম্প্রতি, নাসিরাবাদে অতর্কিত হামলা চালিয়ে একটি বিদ্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
প্রশ্ন হলো, প্রশাসন ও সাংবাদিকরা কেন এ বিষয়ে নীরব? কীভাবে এই আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ডাকাতি করছে, অথচ কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছে না? সাধারণ মানুষ এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এদের ভয়ে মুখ খুললেই হুমকি-ধমকি কিংবা প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকে।
এই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা শুধু ছিনতাই-ডাকাতিতেই লিপ্ত নয়, বরং ইভটিজিং, ধর্ষণসহ নানা গুরুতর অপরাধের সঙ্গেও জড়িত। এদের নামে একাধিক মামলা থাকলেও, এখনো পর্যন্ত প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং, আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে, কুখ্যাত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী সিফাত, যার বাসা কাঁচিঝুলিতে, সেখান থেকেই তার বাহিনী চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তার অন্যতম সহযোগী শিহাব, নওমহলের আরেক দুর্ধর্ষ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী। সরকার পতনের পর এরা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছাকাছি গিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
আমরা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানাই, দ্রুত এদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে, এই কিশোর গ্যাং ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা জরুরি। নাসিরাবাদ, আকুয়া মাদ্রাসা কোয়ার্টারসহ আশপাশের এলাকায় যে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতির পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

























