দীর্ঘ অভিজ্ঞতার প্রতীক মোঃ মাজহারুল ইসলাম
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্ঠার সঙ্গে
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
- / 287
রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ মাজহারুল ইসলাম। ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। শুরু থেকেই নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে তিনি সহকর্মীদের আস্থা অর্জন করে আসছেন।
দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে, ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট তাঁকে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব পদে নির্বাচিত করা হয়। তখন থেকেই তিনি সংগঠনের নীতিগত উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী নানা উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
বারবার বদলি, তবু মনোবল অটুট
২০২৩ সালে তাঁকে একাধিকবার বদলির মুখোমুখি করা হয়। সবশেষে তাঁকে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে বদলি করা হয়। ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে প্রতিকূল পরিবেশেও তিনি তাঁর দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে গেছেন।
পুনরায় অধিদপ্তরে যোগদান
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে, সরকার পরিবর্তনের পর মোঃ মাজহারুল ইসলাম পুনরায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে যোগদান করেন। এতে সহকর্মীদের মাঝে আশার সঞ্চার হয় এবং তিনি আগের মতোই সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
সহকর্মীরা বলেন—
“মাজহারুল ভাই শুধু একজন কর্মচারী নন,তিনি আমাদের কল্যাণের প্রবক্তা। তাঁর নেতৃত্বে আমরা নিজেদের সংগঠিত এবং নিরাপদ বোধ করি।”
📌 সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
নাম: মোঃ মাজহারুল ইসলাম
জেলা: রংপুর
উপজেলা: গঙ্গাচড়া
বর্তমান পদ: মহাসচিব, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মচারী কল্যাণ সমিতি
চাকরিতে যোগদানের তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ২০০৮
সর্বশেষ বদলি স্থান: মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি
পুনরায় যোগদান: আগস্ট ২০২৪, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে মোঃ মাজহারুল ইসলামের মতো কর্মচারীর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। সহকর্মীদের কল্যাণে তাঁর চলমান কার্যক্রম অতীতেও যেমন প্রাসঙ্গিক ছিল, তেমনি ভবিষ্যতেও তা কার্যকরী ভূমিকা রাখবে—এমনই প্রত্যাশা সবার।
উল্লেখ্য, বর্তমানে তিনি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিরীক্ষা ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন।
শুধু তাই নয়, তার
ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও মহাপরিচালক মহোদয়ের মহানুভবতায় এক অর্ডারে ৫১ জন অফিস তত্ত্বাবধায়ক কে পদোন্নতি প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া অফিস সহায়ক থেকে অফিস সহকারী ও অন্যান্য পদে পদোন্নতি প্রদানের প্রচেষ্টা চলছে।এছাড়াও কর্মচারীদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিরলস ভাবে যারা সহযোগিতা করেছেন তারা হচ্ছেন যথাক্রমে:
পরিচালক (প্রশাসন), উপ-পরিচালক (পার্সোনাল) ও সহকারী পরিচালক পার-১।






















