ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

বিয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দুইজনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • / 183
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের একজন মারামারি থামাতে গিয়ে হামলার শিকার হন, অপরজন ঘটনাটি দেখে স্ট্রোক করে মারা যান।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম। এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ডোলভিটি পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শাহজাহান আলীর ছেলে সোহেল রানা (৩৫) ও সেকেন্দার আলীর ছেলে মঞ্জু মিয়া (৪০)। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডোলভিটি গ্রামের লিটন মিয়ার মেয়ে শিলা আক্তারের সঙ্গে প্রায় এক মাস আগে চাপারকোনা গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়। কাবিনের পর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

ঘটনার দিন রাতে স্ত্রীকে নিতে রনি মিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে কয়েকজন স্বজনও ছিলেন। তবে মেয়ের বাবা লিটন মিয়া মেয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশী সোহেল রানা। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় লিটন মিয়ার পক্ষের লোকজন তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ধানখেতে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর সোহেল রানার মরদেহ দেখে মঞ্জু মিয়া নামে আরেকজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোহেল রানার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত লিটন মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বিবাহের বিষয় নিয়ে শালিস বৈঠকে মারামারি হয়। সোহেল রানা নামে একজনের মরদেহ ধানখেত থেকে উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যজনের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, দুইজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিয়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের একজন মারামারি থামাতে গিয়ে হামলার শিকার হন, অপরজন ঘটনাটি দেখে স্ট্রোক করে মারা যান।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম। এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের ডোলভিটি পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শাহজাহান আলীর ছেলে সোহেল রানা (৩৫) ও সেকেন্দার আলীর ছেলে মঞ্জু মিয়া (৪০)। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডোলভিটি গ্রামের লিটন মিয়ার মেয়ে শিলা আক্তারের সঙ্গে প্রায় এক মাস আগে চাপারকোনা গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে রনি মিয়ার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন হয়। কাবিনের পর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

ঘটনার দিন রাতে স্ত্রীকে নিতে রনি মিয়া তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে কয়েকজন স্বজনও ছিলেন। তবে মেয়ের বাবা লিটন মিয়া মেয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশী সোহেল রানা। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় লিটন মিয়ার পক্ষের লোকজন তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ধানখেতে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর সোহেল রানার মরদেহ দেখে মঞ্জু মিয়া নামে আরেকজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সোহেল রানার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত লিটন মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বিবাহের বিষয় নিয়ে শালিস বৈঠকে মারামারি হয়। সোহেল রানা নামে একজনের মরদেহ ধানখেত থেকে উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যজনের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়।