ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

বিশ্বম্ভরপুরে অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম।

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / 72
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

স্টাফ রিপোর্টার | সুনামগঞ্জ:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. আকলিমা বেগম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেন এবং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদের বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার লিখিতভাবে প্রত্যাহার করেছেন।
গত ৯ জুলাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে দেওয়া তার বক্তব্য সঠিক ও বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে ছিল না। তিনি সেই বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করছেন এবং পূর্বের সাক্ষাৎকারটি আমলে না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
লিখিত আবেদনে আকলিমা বেগম বলেন, দুই সাংবাদিকের প্ররোচনায় এবং তার বিল উত্তোলনের বিষয়কে কেন্দ্র করে তিনি চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদ ও অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তিনি উপলব্ধি করেন যে, তার দেওয়া বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভ্রান্তি ও প্ররোচনার কারণে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত ছিল। তাই তিনি পূর্বের সব বক্তব্য প্রত্যাহার করে আবেদনটি যথাযথভাবে বিবেচনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে পিআইও কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেন বলেন, একটি কুচক্রী মহল তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ওই সাক্ষাৎকার দিতে প্ররোচিত করেছিল। পরে আকলিমা বেগম প্রকৃত বিষয়টি উপলব্ধি করে লিখিতভাবে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদ বলেন, প্ররোচনার শিকার হয়ে ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। পরে তিনি নিজেই লিখিতভাবে তা প্রত্যাহার করেছেন। চেয়ারম্যান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাসনাত সরকার বলেন, অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান বলেন, তিনি আকলিমা বেগমের দেওয়া পূর্বের ভিডিও সাক্ষাৎকার এবং পরবর্তীতে জমা দেওয়া লিখিত আবেদন দুটিই দেখেছেন। আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আকলিমা বেগমের লিখিত আবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি পূর্বে দেওয়া সাক্ষাৎকারের বক্তব্য প্রত্যাহার করছেন এবং ভবিষ্যতে ওই বক্তব্যকে আমলে না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশ্বম্ভরপুরে অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম।

আপডেট সময় : ০২:১৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার | সুনামগঞ্জ:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. আকলিমা বেগম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেন এবং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদের বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার লিখিতভাবে প্রত্যাহার করেছেন।
গত ৯ জুলাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে দেওয়া তার বক্তব্য সঠিক ও বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে ছিল না। তিনি সেই বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করছেন এবং পূর্বের সাক্ষাৎকারটি আমলে না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
লিখিত আবেদনে আকলিমা বেগম বলেন, দুই সাংবাদিকের প্ররোচনায় এবং তার বিল উত্তোলনের বিষয়কে কেন্দ্র করে তিনি চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদ ও অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তিনি উপলব্ধি করেন যে, তার দেওয়া বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভ্রান্তি ও প্ররোচনার কারণে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারের বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত ছিল। তাই তিনি পূর্বের সব বক্তব্য প্রত্যাহার করে আবেদনটি যথাযথভাবে বিবেচনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে পিআইও কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেন বলেন, একটি কুচক্রী মহল তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ওই সাক্ষাৎকার দিতে প্ররোচিত করেছিল। পরে আকলিমা বেগম প্রকৃত বিষয়টি উপলব্ধি করে লিখিতভাবে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদ বলেন, প্ররোচনার শিকার হয়ে ইউপি সদস্য আকলিমা বেগম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। পরে তিনি নিজেই লিখিতভাবে তা প্রত্যাহার করেছেন। চেয়ারম্যান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাসনাত সরকার বলেন, অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান বলেন, তিনি আকলিমা বেগমের দেওয়া পূর্বের ভিডিও সাক্ষাৎকার এবং পরবর্তীতে জমা দেওয়া লিখিত আবেদন দুটিই দেখেছেন। আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আকলিমা বেগমের লিখিত আবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি পূর্বে দেওয়া সাক্ষাৎকারের বক্তব্য প্রত্যাহার করছেন এবং ভবিষ্যতে ওই বক্তব্যকে আমলে না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।