ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 140
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুই নারীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন। রায়ের সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও দণ্ডপ্রাপ্ত দুই নারীকে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম, মো. গোলাম হোসেন, মো. আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু, মো. ইউনুছ আলী ও শামছুল হক। আর সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছ. রেহেনা খাতুন।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৩১ মে রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা থেকে নিখোঁজ হন রুমডো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম (১৯)। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

পরবর্তীতে ৬ জুন একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে আসামি আব্দুল হেলিম ও খালেদা আক্তারের স্বীকারোক্তিতে আরও সাতজনের নাম উঠে আসে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৪০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুই নারীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন। রায়ের সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও দণ্ডপ্রাপ্ত দুই নারীকে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম, মো. গোলাম হোসেন, মো. আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু, মো. ইউনুছ আলী ও শামছুল হক। আর সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছ. রেহেনা খাতুন।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৩১ মে রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা থেকে নিখোঁজ হন রুমডো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম (১৯)। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মো. সেলিম মিয়া বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

পরবর্তীতে ৬ জুন একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে আসামি আব্দুল হেলিম ও খালেদা আক্তারের স্বীকারোক্তিতে আরও সাতজনের নাম উঠে আসে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।