ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

মাঠের লড়াইয়ের আগেই জার্সিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / 134
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১১ জুন ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো– এই তিন দেশ যৌথভাবে আয়োজন করছে এবারের বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ঘিরে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। তাই দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা। অনেকেই ইতোমধ্যে নিজেদের বাড়ির ছাদ কিংবা রাস্তায় প্রিয় দলের পতাকা টানাতে শুরু করেছেন। এই যখন অবস্থা, তখন প্রিয় দল ও খেলোয়াড়দের জার্সি যোগ করেছে বিশ্বকাপে নতুন মাত্রা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি জার্সি বিক্রির মার্কেট গুলিস্তান। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে অস্থায়ীভাবে পসরা নিয়ে বসেন বিক্রেতারা। ক্রিকেট পাগল জাতি হলেও ফুটবল বিশ্বকাপ এলে সবখানেই যেন চলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ। সেই দ্বৈরথে ভিন্ন আবহ তৈরি করে নিজ দলের জার্সি।

 

শনিবার (১৬ মে) গুলিস্তানের স্পোর্টস মার্কেট থেকে শুরু করে অলিগলি সবখানেই দেখা মিলল জার্সি বেচা-কেনা। বলার অপেক্ষা রাখে না, ক্রেতাদের আগ্রহের শীর্ষে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার জার্সি। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি। এছাড়া বিক্রির তালিকায় রয়েছে– পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানির জার্সিও। সমর্থকেরা এসব জার্সি নিজেদের গায়ে জড়িয়ে প্রিয় দলটির প্রতি নিজেদের সমর্থনের জানান দিচ্ছেন।

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের দোতলায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জার্সি ব্যবসা করে আসছেন মো. শফিকুর রহমান। তিনি জানালেন, বিশ্বকাপ এলে তাদের বেচা-কেনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া সারা বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ও ক্লাব ফুটবলের জার্সি বিক্রি করেই তাদের চলতে হয়। তবে বিশ্বকাপে বদলে যায় সে চিত্র। প্রতিদিনই অনেক অর্ডার আসে। এ ব্যবসায়ী জানান, তার দোকানে পাইকারি দামে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০০ টাকা করে প্রতি পিস জার্সি পাওয়া যায়। চাহিদার ভিত্তিতে জার্সির দাম প্রতি সপ্তাহে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান তিনি। ৯০০ টাকা করে জার্সি চায়না থেকে আমদানি করা, যেটা গেল সপ্তাহে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হত। বিশ্বকাপ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে জার্সির দামও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। জার্সির পাশাপাশি ফুটবল ও বুট জুতারও বিক্রি বেড়েছে বলে জানান এ ব্যবসায়ী।

 

আরেক ব্যবসায়ী শাওন বলেন, গত মাস থেকেই জার্সির অনেক চাহিদা। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। সারাদেশেই তার দোকানের জার্সি যায় বলে জানান তিনি। পাইকারি ৬ পিস ও ১২ পিসের বান্ডেল আকারে জার্সি বিক্রি হয় তার দোকানে। দেশি জার্সির পাইকারি প্রতি পিস ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায় আমদানি করা প্লেয়ার ভার্সন ১০০০থেকে ১২০০ টাকা করে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

মার্কেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে ফুটপাতে এলেও জার্সির শত শত ভাসমান দোকান। তাদের কেউই সারা বছর ফুটপাতে জার্সি বিক্রি করেন না। তবে বিশ্বকাপ উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে তারাও নাম লিখিয়েছেন মৌসুমি জার্সি বিক্রেতা হিসেবে। আর জার্সির অনেক বড় একটি অংশের জোগান দেন এই অস্থায়ী জার্সি বিক্রেতারা।

 

ফুটপাতে জার্সি বিক্রি করছেন নাইমুল ইসলাম। সদ্য কৈশোরে অবতীর্ণ এই মৌসুমি বিক্রেতাবলেন, বিশ্বকাপ আসন্ন দেখে দোকানে জার্সি উঠিয়েছেন। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের কাপড় বিক্রি করেন তিনি। তার কাছে সব দেশীয় জার্সি। ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জার্সি পাওয়া যায় তার কাছে। নিজে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিধান করলেও এই বিক্রেতা জানান তার কাছে ব্রাজিলের জার্সি বেশি আছে। এই দুই দল ছাড়া পর্তুগাল ও ফ্রান্সের জার্সির চাহিদা বেশি বলে জানান নাইমুল।

 

আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কম বলে হতাশা প্রকাশ করেন গুলিস্তানের কোয়ালিটি স্পোর্টস এর মালিক আব্দুল লতিফ। প্রায় ৩০ বছর ধরে বেশ বড়সড় জায়গার দোকান দিয়ে খেলা সামগ্রীর ব্যবসা তার। তিনি বলেন, আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। গেল বছর থেকে লসে চলছে তার ব্যবসা। জার্সি কিনে ছেলেপেলে খেলবে কোথায়, জায়গারও তো সংকট। আর এখনকার দিনে খেলাধুলা করেই বা কতজন।

বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন করে জার্সি আনিয়েছেন তিনি। দেশীয় জার্সি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে আর আমদানি করা জার্সি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন। সামনে হয়তো ব্যাবসা গুটিয়ে আনবেন বলেও জানান তিনি।

গুলিস্তানে জার্সি কিনতে আসা শাহরিয়ার পারভেজ ইমন বলেন, আমার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা। আর ছেলের পছন্দ ব্রাজিল। দুইজনের জন্য দুই দেশের জার্সি কিনতে গুলিস্তানে এসেছি, সাশ্রয়ী মূল্যে কেনার জন্যই এখানে আসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাঠের লড়াইয়ের আগেই জার্সিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ!

আপডেট সময় : ০৩:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১১ জুন ২০২৬। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো– এই তিন দেশ যৌথভাবে আয়োজন করছে এবারের বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ঘিরে ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। তাই দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা। অনেকেই ইতোমধ্যে নিজেদের বাড়ির ছাদ কিংবা রাস্তায় প্রিয় দলের পতাকা টানাতে শুরু করেছেন। এই যখন অবস্থা, তখন প্রিয় দল ও খেলোয়াড়দের জার্সি যোগ করেছে বিশ্বকাপে নতুন মাত্রা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি জার্সি বিক্রির মার্কেট গুলিস্তান। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে অস্থায়ীভাবে পসরা নিয়ে বসেন বিক্রেতারা। ক্রিকেট পাগল জাতি হলেও ফুটবল বিশ্বকাপ এলে সবখানেই যেন চলে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ। সেই দ্বৈরথে ভিন্ন আবহ তৈরি করে নিজ দলের জার্সি।

 

শনিবার (১৬ মে) গুলিস্তানের স্পোর্টস মার্কেট থেকে শুরু করে অলিগলি সবখানেই দেখা মিলল জার্সি বেচা-কেনা। বলার অপেক্ষা রাখে না, ক্রেতাদের আগ্রহের শীর্ষে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার জার্সি। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি। এছাড়া বিক্রির তালিকায় রয়েছে– পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানির জার্সিও। সমর্থকেরা এসব জার্সি নিজেদের গায়ে জড়িয়ে প্রিয় দলটির প্রতি নিজেদের সমর্থনের জানান দিচ্ছেন।

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের দোতলায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জার্সি ব্যবসা করে আসছেন মো. শফিকুর রহমান। তিনি জানালেন, বিশ্বকাপ এলে তাদের বেচা-কেনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া সারা বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ও ক্লাব ফুটবলের জার্সি বিক্রি করেই তাদের চলতে হয়। তবে বিশ্বকাপে বদলে যায় সে চিত্র। প্রতিদিনই অনেক অর্ডার আসে। এ ব্যবসায়ী জানান, তার দোকানে পাইকারি দামে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০০ টাকা করে প্রতি পিস জার্সি পাওয়া যায়। চাহিদার ভিত্তিতে জার্সির দাম প্রতি সপ্তাহে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান তিনি। ৯০০ টাকা করে জার্সি চায়না থেকে আমদানি করা, যেটা গেল সপ্তাহে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হত। বিশ্বকাপ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে জার্সির দামও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। জার্সির পাশাপাশি ফুটবল ও বুট জুতারও বিক্রি বেড়েছে বলে জানান এ ব্যবসায়ী।

 

আরেক ব্যবসায়ী শাওন বলেন, গত মাস থেকেই জার্সির অনেক চাহিদা। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। সারাদেশেই তার দোকানের জার্সি যায় বলে জানান তিনি। পাইকারি ৬ পিস ও ১২ পিসের বান্ডেল আকারে জার্সি বিক্রি হয় তার দোকানে। দেশি জার্সির পাইকারি প্রতি পিস ৪৫০ থেকে ৬৫০ টাকায় আমদানি করা প্লেয়ার ভার্সন ১০০০থেকে ১২০০ টাকা করে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

মার্কেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে ফুটপাতে এলেও জার্সির শত শত ভাসমান দোকান। তাদের কেউই সারা বছর ফুটপাতে জার্সি বিক্রি করেন না। তবে বিশ্বকাপ উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে তারাও নাম লিখিয়েছেন মৌসুমি জার্সি বিক্রেতা হিসেবে। আর জার্সির অনেক বড় একটি অংশের জোগান দেন এই অস্থায়ী জার্সি বিক্রেতারা।

 

ফুটপাতে জার্সি বিক্রি করছেন নাইমুল ইসলাম। সদ্য কৈশোরে অবতীর্ণ এই মৌসুমি বিক্রেতাবলেন, বিশ্বকাপ আসন্ন দেখে দোকানে জার্সি উঠিয়েছেন। চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের কাপড় বিক্রি করেন তিনি। তার কাছে সব দেশীয় জার্সি। ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জার্সি পাওয়া যায় তার কাছে। নিজে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিধান করলেও এই বিক্রেতা জানান তার কাছে ব্রাজিলের জার্সি বেশি আছে। এই দুই দল ছাড়া পর্তুগাল ও ফ্রান্সের জার্সির চাহিদা বেশি বলে জানান নাইমুল।

 

আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কম বলে হতাশা প্রকাশ করেন গুলিস্তানের কোয়ালিটি স্পোর্টস এর মালিক আব্দুল লতিফ। প্রায় ৩০ বছর ধরে বেশ বড়সড় জায়গার দোকান দিয়ে খেলা সামগ্রীর ব্যবসা তার। তিনি বলেন, আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। গেল বছর থেকে লসে চলছে তার ব্যবসা। জার্সি কিনে ছেলেপেলে খেলবে কোথায়, জায়গারও তো সংকট। আর এখনকার দিনে খেলাধুলা করেই বা কতজন।

বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন করে জার্সি আনিয়েছেন তিনি। দেশীয় জার্সি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে আর আমদানি করা জার্সি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন। সামনে হয়তো ব্যাবসা গুটিয়ে আনবেন বলেও জানান তিনি।

গুলিস্তানে জার্সি কিনতে আসা শাহরিয়ার পারভেজ ইমন বলেন, আমার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা। আর ছেলের পছন্দ ব্রাজিল। দুইজনের জন্য দুই দেশের জার্সি কিনতে গুলিস্তানে এসেছি, সাশ্রয়ী মূল্যে কেনার জন্যই এখানে আসা।