ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৫০

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 116
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিদিনই বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। চলতি বছরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ জন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

রামেক হাসপাতালের দেওয়া গেল এক সপ্তার তথ্য দেখা গেছে- বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হামের উপসর্গ চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরআগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন শিশু, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক শিশু, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই শিশু, রোববার (৫ এপ্রিল) দুই শিশু, শনিবার (৪ এপ্রিল) তিন শিশু, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গে।

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু, যারা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া- এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসা জরুরি। দেরি হলে জটিলতা বাড়তে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, আক্রান্তদের পৃথক রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেলে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৫০

আপডেট সময় : ০৭:২১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

প্রতিদিনই বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। চলতি বছরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ জন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩২ জনে। চলমান এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

রামেক হাসপাতালের দেওয়া গেল এক সপ্তার তথ্য দেখা গেছে- বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হামের উপসর্গ চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরআগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন শিশু, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক শিশু, সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই শিশু, রোববার (৫ এপ্রিল) দুই শিশু, শনিবার (৪ এপ্রিল) তিন শিশু, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামের উপসর্গে।

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশই শিশু, যারা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়া- এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে আসা জরুরি। দেরি হলে জটিলতা বাড়তে পারে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, আক্রান্তদের পৃথক রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।