ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোমবার থেকে ২০ শতাংশ বেশি বিক্রি হবে অকটেন, পেট্রোল-ডিজেল ১০ শতাংশ তারাকান্দায় উত্তেজনা: বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচিকে ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি বজ্রপাতে ১৮ দিনে ১৫ জনের মৃত্যু, একদিনেই প্রাণ হারালেন ১২ জন ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৩৪ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দোয়ারাবাজারে সংবাদ সম্মেলন। উলিপুরে বিজ্ঞানচর্চায় নতুন দিগন্ত: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী উচ্ছ্বাস শেরপুরের চলাঞ্চলে ব্রিজ ও পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবিতে বিশ হাজারের বেশি মানুষ মানববন্ধন ও সমাবেশ অংশগ্রহন করেন দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ : জামায়াত আমির এতো অল্প সময়ে সব জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয় : পানিসম্পদ মন্ত্রী হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখতে রিট শুনবেন হাইকোর্ট

‘হয় আত্মসমর্পণ করুন, নয়তো ধ্বংস হোন’ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 82
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি বলেছেন, হামাস যদি অস্ত্র ও আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে চূড়ান্ত ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে গোষ্ঠীটিকে।

আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, “হামাসের হত্যাকারী, ধর্ষক এবং এই গোষ্ঠীটির অন্যান্য সদস্য যারা বিদেশে বিলাসবহুল হোটেলে বসবাস করছেন, তাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিচ্ছি— অবিলম্বে আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দিন এবং নিজেদের অস্ত্র সমর্পণ করুন। নইলে গাজা পুরোপুরি ধ্বংস হবে এবং আপনারা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হবেন।”

গতকাল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গাজায় অবশিষ্ট ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির জন্য হামাসকে অবশ্যই একটি সমঝোতায় আসতে হবে। ট্রাম্প এই মন্তব্য করার পরের দিনই হামাসকে সতর্কবার্তা দিলেন ইসরায়েল কাৎজ।

এক্সবার্তায় তিনি আরো বলেন, হামাস এ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে যত দেরি করবে— গাজায় ধ্বংসযজ্ঞও তত বাড়বে।

“গাজা সম্পূর্ণ দখলের অভিযান এখনও শুরু হয়নি। তবে শিগগিরই শুরু হবে এবং হামাস যদি সিদ্ধান্ত জানাতে বিলম্ব করে- অভিযানের তীব্রতা উত্তরোত্তর বাড়বে”, এক্সবার্তায় বলেন কাৎজ।
গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে হামাসের উদ্দেশে ‘শেষ সতর্কবার্তা’ দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি যেসব শর্ত দিয়েছিলাম, সেগুলোর সবই ইসরায়েল মেনে নিয়েছে। এখন হামাসের পালা। হামাস যদি আমার শর্তগুলো গ্রহণ না করে, তাহলে ফলাফল খুব খারাপ হবে। হামাসের উদ্দেশে এটা আমার শেষ সতর্কবার্তা।”

এদিকে, গতকাল ট্রাম্পের বিবৃতির অল্প সময়ের মধ্যেই পাল্টা এক বিবৃতিতে হামাসের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, “যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত মার্কিন প্রস্তাবে কিছু পয়েন্ট রয়েছে— যেগুলোর মূল লক্ষ্য একটি সত্যিজকারের যুদ্ধবিরতি। আমরা এই প্রস্তাবের ওপর জরুরিভিত্তিতে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।”

“তবে এর বিনিময়ে আমরা কয়েকটি শর্তের বাস্তবায়ন চাই। এগুলো হলো— গাজায় যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া, গাজা উপত্যকা থেকে সব সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার করতে হবে এবং গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বাহের জন্য একটি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠন করতে হবে।”

গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং সেখানে বন্দি ইসরায়েলিদের মুক্তি সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রস্তাব গত সপ্তাহে হামাসের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে সেই প্রস্তাবে কী কী শর্ত উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প, তা গোপন রেখেছে হোয়াইট হাউস।

তবে গতকাল হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মত বিনিময়ের সময়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আপনারা শিগগিরই এ ব্যাপারে জানতে পারবেন। আমার মনে হয় খুব তাড়াতাড়িই আমরা গাজা ইস্যুতে একটা চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

‘হয় আত্মসমর্পণ করুন, নয়তো ধ্বংস হোন’ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ

আপডেট সময় : ১১:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি বলেছেন, হামাস যদি অস্ত্র ও আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে চূড়ান্ত ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে গোষ্ঠীটিকে।

আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, “হামাসের হত্যাকারী, ধর্ষক এবং এই গোষ্ঠীটির অন্যান্য সদস্য যারা বিদেশে বিলাসবহুল হোটেলে বসবাস করছেন, তাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিচ্ছি— অবিলম্বে আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দিন এবং নিজেদের অস্ত্র সমর্পণ করুন। নইলে গাজা পুরোপুরি ধ্বংস হবে এবং আপনারা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হবেন।”

গতকাল ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গাজায় অবশিষ্ট ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির জন্য হামাসকে অবশ্যই একটি সমঝোতায় আসতে হবে। ট্রাম্প এই মন্তব্য করার পরের দিনই হামাসকে সতর্কবার্তা দিলেন ইসরায়েল কাৎজ।

এক্সবার্তায় তিনি আরো বলেন, হামাস এ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে যত দেরি করবে— গাজায় ধ্বংসযজ্ঞও তত বাড়বে।

“গাজা সম্পূর্ণ দখলের অভিযান এখনও শুরু হয়নি। তবে শিগগিরই শুরু হবে এবং হামাস যদি সিদ্ধান্ত জানাতে বিলম্ব করে- অভিযানের তীব্রতা উত্তরোত্তর বাড়বে”, এক্সবার্তায় বলেন কাৎজ।
গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে হামাসের উদ্দেশে ‘শেষ সতর্কবার্তা’ দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি যেসব শর্ত দিয়েছিলাম, সেগুলোর সবই ইসরায়েল মেনে নিয়েছে। এখন হামাসের পালা। হামাস যদি আমার শর্তগুলো গ্রহণ না করে, তাহলে ফলাফল খুব খারাপ হবে। হামাসের উদ্দেশে এটা আমার শেষ সতর্কবার্তা।”

এদিকে, গতকাল ট্রাম্পের বিবৃতির অল্প সময়ের মধ্যেই পাল্টা এক বিবৃতিতে হামাসের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, “যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত মার্কিন প্রস্তাবে কিছু পয়েন্ট রয়েছে— যেগুলোর মূল লক্ষ্য একটি সত্যিজকারের যুদ্ধবিরতি। আমরা এই প্রস্তাবের ওপর জরুরিভিত্তিতে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।”

“তবে এর বিনিময়ে আমরা কয়েকটি শর্তের বাস্তবায়ন চাই। এগুলো হলো— গাজায় যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া, গাজা উপত্যকা থেকে সব সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার করতে হবে এবং গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বাহের জন্য একটি নির্দলীয়-নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠন করতে হবে।”

গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং সেখানে বন্দি ইসরায়েলিদের মুক্তি সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রস্তাব গত সপ্তাহে হামাসের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে সেই প্রস্তাবে কী কী শর্ত উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প, তা গোপন রেখেছে হোয়াইট হাউস।

তবে গতকাল হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মত বিনিময়ের সময়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আপনারা শিগগিরই এ ব্যাপারে জানতে পারবেন। আমার মনে হয় খুব তাড়াতাড়িই আমরা গাজা ইস্যুতে একটা চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।”