ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কমলগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও পুরস্কার বিতরণ। কর্মদক্ষতা ও মানবিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি, বিদায়ী সংবর্ধনায় সুনামগঞ্জের জেল সুপার মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া দশ বছরে মাইজিপি: গ্রামীণফোনের ডিজিটাল সেবায় নতুন মাইলফলক কেরানীগঞ্জের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত বিশেষ অভিযানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮১ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ ডিএসসিসি ৪১ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়তে চান সফল সংগঠক কবির হোসেন কবির পুরান ঢাকার সংগঠক কবির হোসেন কবির ডিজেসির উপদেষ্টা মনোনীত চাঁদপুরে মাটির নিচে গাঁজার ড্রাম, মাদক কারবারি আটক প্রত্যেক উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৭ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিলো ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 131
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজায় আটক ৭ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। আজ সোমবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে জিম্মিদের আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রসের জিম্মায় দেওয়া, তারপর রেড ক্রস তাদের ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।

মুক্তিপাওয়া এই ৭ ইসরায়েলি জিম্মিদের সবাই পুরুষ। এরা হলেন জিভ বেরমান, গালি বেরমান, এইতান মোর, মাতান আঙ্গরেস্ত, ওমরি মিরান, গাই গিলবোয়া-দালাল এবং অ্যালন ওহেল।

দুই বছর যুদ্ধ চলার পর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। চলতি সপ্তাহ থেকে কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি। সেই যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম জিম্মিদের মুক্তির ঘটনা ঘটল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ১ হাজার হামাস যোদ্ধা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় যোদ্ধারা। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর ইসরায়েলের ইতিহাসে ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ভয়াবহ সেই সামরিক অভিযানে গাজায় নিহত হন ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।

গত দুই বছরে বেশ কয়েক বার এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চলেছে। সেসব চেষ্টার অংশ হিসেবে কয়েক দফা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিও গোষণা করেছে ইসরায়েল। সেসব যুদ্ধবিরতির সময় বেশ কিছু জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস; তার পরও প্রায় ৪০ জন জিম্মি অবশিষ্ট ছিল তাদের হাতে। তবে কাগজে ৪০ জন জিম্মি থাকলেও তাদের মধ্যে জীবিত আছেন ২০ জন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব আকারে পেশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে সেই পরিকল্পনায় সম্মতি জানানোর পর গত শুক্রবার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা মেনে জীবিত ২০ জন জিম্মির মধ্যে থেকে ৭ জনকে আজ সোমবার মুক্তি দিলো হামাস। জীবিত ২০ জনের নামের তালিকা এর আগেই ইসরয়েলকে দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৭ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিলো ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় আটক ৭ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। আজ সোমবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে জিম্মিদের আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রসের জিম্মায় দেওয়া, তারপর রেড ক্রস তাদের ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।

মুক্তিপাওয়া এই ৭ ইসরায়েলি জিম্মিদের সবাই পুরুষ। এরা হলেন জিভ বেরমান, গালি বেরমান, এইতান মোর, মাতান আঙ্গরেস্ত, ওমরি মিরান, গাই গিলবোয়া-দালাল এবং অ্যালন ওহেল।

দুই বছর যুদ্ধ চলার পর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। চলতি সপ্তাহ থেকে কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি। সেই যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম জিম্মিদের মুক্তির ঘটনা ঘটল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ১ হাজার হামাস যোদ্ধা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় যোদ্ধারা। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর ইসরায়েলের ইতিহাসে ৭ অক্টোবরের হামলা ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধারে পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ভয়াবহ সেই সামরিক অভিযানে গাজায় নিহত হন ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।

গত দুই বছরে বেশ কয়েক বার এই যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চলেছে। সেসব চেষ্টার অংশ হিসেবে কয়েক দফা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিও গোষণা করেছে ইসরায়েল। সেসব যুদ্ধবিরতির সময় বেশ কিছু জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস; তার পরও প্রায় ৪০ জন জিম্মি অবশিষ্ট ছিল তাদের হাতে। তবে কাগজে ৪০ জন জিম্মি থাকলেও তাদের মধ্যে জীবিত আছেন ২০ জন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব আকারে পেশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে সেই পরিকল্পনায় সম্মতি জানানোর পর গত শুক্রবার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয় গাজায়।

ট্রাম্পের পরিকল্পনা মেনে জীবিত ২০ জন জিম্মির মধ্যে থেকে ৭ জনকে আজ সোমবার মুক্তি দিলো হামাস। জীবিত ২০ জনের নামের তালিকা এর আগেই ইসরয়েলকে দিয়েছে গোষ্ঠীটি।