ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো দ্য গ্র্যান্ড মাওলিদ ২০২৬ ‘যেখানে আমি, সেখানেই পরিচ্ছন্নতা’: আনন্দমোহন কলেজে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেরানীগঞ্জে ২,০১০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার *রাজধানীর জুরাইন হতে র‌্যাব-১০ কর্তৃক প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ২৩০০ পিস ইয়াবা’সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার: পুলিশের লুন্ঠিত ১৭ টি শটগানের গুলি ও ০৩ টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার।* রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই একটি হুইলচেয়ারও।চিকিৎসার আশায় এসে চলাচলেই বাধা। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ‘গুম ফেরত’ পলাশকে চান এলাকাবাসী *মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানা এলাকা হতে ৬০ (ষাট) পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।* রেজুখাল বিজিবি চেকপোস্টে নারীর কাছ থেকে ৫,২০০ ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শ্যামপুর খানকায়ে চিশতীয়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দয়াগঞ্জে ওরাল কলেরা টিকা খাওয়ানো ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে দুই ডোজ টিকা

পারিবারিক রেষারেষির বলি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রাফি অপহরণের পর হত্যা, লাশ গুম—মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মূল আসামী গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 80
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থী আন্দালিব সাদমান রাফি (৮) নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মূল আসামী খোকন (২১)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম রনির ছেলে রাফি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পরপরই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
ঘটনার পর জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা খোকনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত খোকনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ির স্যানিটারি টয়লেটের স্লাবের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় রাফির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নাইলনের রশি এবং মুক্তিপণ দাবির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খোকন পুলিশকে জানান, রাফির বাবা জহিরুল ইসলাম রনির সঙ্গে তার পূর্বের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে রাফিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। তাকে পানিতে ডুবিয়ে, ঘাড় মটকিয়ে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ বস্তায় ভরে টয়লেটের স্লাবের নিচে গুম করা হয় এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় চারজনকে আসামী করে মুক্তাগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং দ্রুত সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পারিবারিক রেষারেষির বলি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রাফি অপহরণের পর হত্যা, লাশ গুম—মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মূল আসামী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থী আন্দালিব সাদমান রাফি (৮) নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মূল আসামী খোকন (২১)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম রনির ছেলে রাফি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পরপরই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা শিশুটির পরিবারের কাছে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
ঘটনার পর জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা খোকনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত খোকনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ির স্যানিটারি টয়লেটের স্লাবের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় রাফির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত নাইলনের রশি এবং মুক্তিপণ দাবির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খোকন পুলিশকে জানান, রাফির বাবা জহিরুল ইসলাম রনির সঙ্গে তার পূর্বের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে রাফিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। তাকে পানিতে ডুবিয়ে, ঘাড় মটকিয়ে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ বস্তায় ভরে টয়লেটের স্লাবের নিচে গুম করা হয় এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় চারজনকে আসামী করে মুক্তাগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং দ্রুত সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।