ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো দ্য গ্র্যান্ড মাওলিদ ২০২৬ ‘যেখানে আমি, সেখানেই পরিচ্ছন্নতা’: আনন্দমোহন কলেজে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেরানীগঞ্জে ২,০১০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার *রাজধানীর জুরাইন হতে র‌্যাব-১০ কর্তৃক প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ২৩০০ পিস ইয়াবা’সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার: পুলিশের লুন্ঠিত ১৭ টি শটগানের গুলি ও ০৩ টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার।* রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই একটি হুইলচেয়ারও।চিকিৎসার আশায় এসে চলাচলেই বাধা। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ‘গুম ফেরত’ পলাশকে চান এলাকাবাসী *মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানা এলাকা হতে ৬০ (ষাট) পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।* রেজুখাল বিজিবি চেকপোস্টে নারীর কাছ থেকে ৫,২০০ ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শ্যামপুর খানকায়ে চিশতীয়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দয়াগঞ্জে ওরাল কলেরা টিকা খাওয়ানো ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে দুই ডোজ টিকা

ময়মনসিংহে হ * ত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 84
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নুরুল হক হত্যা মামলায় তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শাহবাজ মিয়া (৫৮), হানিফা (৫০) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৫৩)।
রোববার (১০ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক ফারজানা আহমেদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মোস্তাছিনুর রহমান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ আগস্ট সকালে গফরগাঁওয়ের শিলাসী গ্রামে নুরুল হকের বাড়ির পাশের একটি বড়ই বাগানে কয়েকজন কিশোর ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে বলটি নুরুল হকের টিনের বেড়ায় লাগলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে খেলাটি বন্ধ করে দেন এবং ছেলেদের তাড়িয়ে দেন।
পরে ওই ছেলেদের স্বজন শাহবাজ মিয়া তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নুরুল হকের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কাজল মিয়া বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অপর আসামিদের খালাস দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মাসুদুল আলম খান তান্না এবং আসামিপক্ষে ছিলেন এএইচএম খালেকুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ময়মনসিংহে হ * ত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নুরুল হক হত্যা মামলায় তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শাহবাজ মিয়া (৫৮), হানিফা (৫০) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৫৩)।
রোববার (১০ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক ফারজানা আহমেদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর মোস্তাছিনুর রহমান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ আগস্ট সকালে গফরগাঁওয়ের শিলাসী গ্রামে নুরুল হকের বাড়ির পাশের একটি বড়ই বাগানে কয়েকজন কিশোর ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে বলটি নুরুল হকের টিনের বেড়ায় লাগলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে খেলাটি বন্ধ করে দেন এবং ছেলেদের তাড়িয়ে দেন।
পরে ওই ছেলেদের স্বজন শাহবাজ মিয়া তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নুরুল হকের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কাজল মিয়া বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অপর আসামিদের খালাস দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মাসুদুল আলম খান তান্না এবং আসামিপক্ষে ছিলেন এএইচএম খালেকুজ্জামান।