ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেতেরপাড়া লৌহজংয়ে যৌনকর্মীর রহস্যজনক হত্যাকান্ড

গ্রাম্য চিকিৎসক মিঠু হাসানের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলার অভিযোগ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 243
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শনিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪ ইং
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ১২ জানুয়ারি ২০২৪, খেতেরপাড়া, লৌহজং – স্থানীয় এনজিও কর্মী ও গ্রাম্য চিকিৎসক মোঃ মিঠু হাসানের বাড়ীর পাশে রহস্য জনকভাবে খুন হন এক নারী, যিনি ববিতা নামে পরিচিত ছিলেন। জানা যায়, তিনি একজন যৌনকর্মী ছিলেন এবং এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ববিতা এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত ছিলেন এবং একটি দেহব্যবসার চক্রের সাথে যুক্ত ছিলেন, যা ক্ষমতাসীন আওয়মী লীগ সরকারের কিছু নেতার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মিঠু হাসান গ্রাম্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করায় এবং অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাকে টার্গেট করা হয়েছে।

পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলেও, দ্রুত মিঠু হাসানের বিরদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়, যা তার পরিবার ও সমর্থকদের মতে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। তারা দাবি করেন, প্রকৃত হত্যাকারীরা ধরা না পড়ে, নিরাপরাধ মিঠু হাসানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হচ্ছে।

এদিকে, মিঠু হাসানের পরিবার এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের কিছুকর্মী তাকে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা রকম হুমকি দিচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন কারণ তারা তাদের জীবনের জন্য শঙ্কিত। এলাকাবাসীর মতে, এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং সরকার বিরোধী কণ্ঠ রোধের একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

বিরোধী দল ও স্থানীয় অধিকার কর্মীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয়রা পরিস্থিতির আরও অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

ভূক্তভোগীর অভিযোগ, তাকে হয়রানীমূলক মামলা করে তার কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করাসহ সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এই ধরনের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

খেতেরপাড়া লৌহজংয়ে যৌনকর্মীর রহস্যজনক হত্যাকান্ড

গ্রাম্য চিকিৎসক মিঠু হাসানের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

শনিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪ ইং
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ১২ জানুয়ারি ২০২৪, খেতেরপাড়া, লৌহজং – স্থানীয় এনজিও কর্মী ও গ্রাম্য চিকিৎসক মোঃ মিঠু হাসানের বাড়ীর পাশে রহস্য জনকভাবে খুন হন এক নারী, যিনি ববিতা নামে পরিচিত ছিলেন। জানা যায়, তিনি একজন যৌনকর্মী ছিলেন এবং এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ববিতা এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত ছিলেন এবং একটি দেহব্যবসার চক্রের সাথে যুক্ত ছিলেন, যা ক্ষমতাসীন আওয়মী লীগ সরকারের কিছু নেতার পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, মিঠু হাসান গ্রাম্য স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করায় এবং অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাকে টার্গেট করা হয়েছে।

পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলেও, দ্রুত মিঠু হাসানের বিরদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়, যা তার পরিবার ও সমর্থকদের মতে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। তারা দাবি করেন, প্রকৃত হত্যাকারীরা ধরা না পড়ে, নিরাপরাধ মিঠু হাসানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হচ্ছে।

এদিকে, মিঠু হাসানের পরিবার এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের কিছুকর্মী তাকে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা রকম হুমকি দিচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন কারণ তারা তাদের জীবনের জন্য শঙ্কিত। এলাকাবাসীর মতে, এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং সরকার বিরোধী কণ্ঠ রোধের একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।

বিরোধী দল ও স্থানীয় অধিকার কর্মীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা সুষ্ঠু তদন্ত করবে এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয়রা পরিস্থিতির আরও অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

ভূক্তভোগীর অভিযোগ, তাকে হয়রানীমূলক মামলা করে তার কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করাসহ সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এই ধরনের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।