ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৫ জাতীয় ফুটবল দলের “টিম ম্যানেজার” হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সীসার বিষে ঝুঁকিতে শিশুরা, দূষণ রোধে ময়মনসিংহে সচেতনতামূলক মানববন্ধন 📢 আদাবর থানা যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত তালিকা জমা দিলেন এস এম নুরুল ইসলাম বাবু ———: যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৬ কেজি গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী ঢাকা–খুলনা–কুষ্টিয়া লং মার্চকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য, ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামী। ময়মনসিংহে কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল ২ বোনের বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক

রাণীশংকৈলে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন

রিপোর্ট: এম মাসুদ রানা, সাংবাদিক, এশিয়ান টিভি ও নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক জাতীয় খবর
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 188
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ঘিরে আয়োজিত এ মেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বৈশাখী সংগীত পরিবেশন ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ঢোল, বাঁশি ও লোকজ বাদ্যের তালে তালে বাংলা সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও প্রফেসর জনাব মোঃ শাহজাহান আলী। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বৈশাখী মেলা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে গ্রামীণ হস্তশিল্প, মাটির তৈরি সামগ্রী, বাঁশ ও বেতের পণ্য, লোকজ খাবার এবং শিশুদের খেলনার সমাহার দেখা যায়। এছাড়াও নাগরদোলা, পুতুল নাচ ও লোকসংগীত দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাণীশংকৈলে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ঘিরে আয়োজিত এ মেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বৈশাখী সংগীত পরিবেশন ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ঢোল, বাঁশি ও লোকজ বাদ্যের তালে তালে বাংলা সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও প্রফেসর জনাব মোঃ শাহজাহান আলী। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বৈশাখী মেলা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে গ্রামীণ হস্তশিল্প, মাটির তৈরি সামগ্রী, বাঁশ ও বেতের পণ্য, লোকজ খাবার এবং শিশুদের খেলনার সমাহার দেখা যায়। এছাড়াও নাগরদোলা, পুতুল নাচ ও লোকসংগীত দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।