ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অযথা বাইকের হর্ন ও শব্দদূষণ রোধে ময়মনসিংহে মানববন্ধন শেরেবাংলা নগরে সাংবাদিকের ব্যাগ ছিনতাই, মোবাইল-ব্যাংক কার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়াছেন বাজেট ২০২৬-২৭ নিত্য পণ্যে কর ছাড়, অস্ত্র ও বিলাসী গাড়িতে বাড়তি কর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় প্রাণ গেল ময়মনসিংহের যুবক রহিমের, লাশ ফেরাতে সরকারের কাছে আকুতি পরিবারের ঈশ্বরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে হালুয়াঘাটে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে শতাধিক হেক্টর ফসল তলিয়ে ক্ষতি চরম দুশ্চিন্তায় কৃষক, যোগাযোগ ব্যবস্থাও ঝুঁকিতে রাণীশংকৈলে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন ত্রিশালে তিস্তা এক্সপ্রেসে যান্ত্রিক ত্রুটি, এক ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ দিনাজপুরে কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেফতার

রাণীশংকৈলে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন

রিপোর্ট: এম মাসুদ রানা, সাংবাদিক, এশিয়ান টিভি ও নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক জাতীয় খবর
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 76
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ঘিরে আয়োজিত এ মেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বৈশাখী সংগীত পরিবেশন ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ঢোল, বাঁশি ও লোকজ বাদ্যের তালে তালে বাংলা সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও প্রফেসর জনাব মোঃ শাহজাহান আলী। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বৈশাখী মেলা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে গ্রামীণ হস্তশিল্প, মাটির তৈরি সামগ্রী, বাঁশ ও বেতের পণ্য, লোকজ খাবার এবং শিশুদের খেলনার সমাহার দেখা যায়। এছাড়াও নাগরদোলা, পুতুল নাচ ও লোকসংগীত দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাণীশংকৈলে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৩৩তম বৈশাখী সাংস্কৃতিক মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে ঘিরে আয়োজিত এ মেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বৈশাখী সংগীত পরিবেশন ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ঢোল, বাঁশি ও লোকজ বাদ্যের তালে তালে বাংলা সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি ও প্রফেসর জনাব মোঃ শাহজাহান আলী। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বৈশাখী মেলা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে গ্রামীণ হস্তশিল্প, মাটির তৈরি সামগ্রী, বাঁশ ও বেতের পণ্য, লোকজ খাবার এবং শিশুদের খেলনার সমাহার দেখা যায়। এছাড়াও নাগরদোলা, পুতুল নাচ ও লোকসংগীত দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।