ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একতারার ইমাম মরমী সাধক উকিল মুন্সী ও তাঁর অবয়ব -ইমতিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহে আইইডি’র উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি টেকনাফে ব্যবসায়ীর ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ: চিহ্নিত ৭ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৩- ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকিরও দাবি ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সরকারি কোয়ার্টারের সামনে এক উত্তেজনাকর ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ৫ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদে ফেলে হত্যা, ৩ তরুণ আটক অর্থোপেডিক ও স্পাইন চিকিৎসায় আস্থার নাম ডাঃ নাবিল যুনায়েদ সিডনী শরণার্থী শিবিরে জন্ম, ভ্যাঙ্কুভারে গড়লেন ইতিহাস পল্লবীর ইব্রাহিম-রিয়াজ বাহিনীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ১০ গ্রেনেডসহ ২৮ রাউন্ড গোলা উদ্ধার

অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 25
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। যদিও ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা ছিল। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না মেলায় এ বাড়তি বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না। রোববার (১৪ জুন) দেশটির জ্বালানি কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

 

তারা বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, নতুন একটি সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি, নেপাল-ভারতের জ্বালানি বিভাগের সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তসহ আরও কিছু বিষয় এখনো সম্পন্ন করা বাকি।

বর্ষা মৌসুমে নেপাল তার বাড়তি বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ও ভারতে রপ্তানি করে। অপরদিকে শীতকালে ভারত থেকে তারা উল্টো বিদ্যুৎ আমদানি করে।

২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপাল-ভারতের সচিব পর্যায়ের কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিদ্যমান চুক্তির বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির চুক্তি হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারেও সবাই একমত হয়।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থা লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশে বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থার অনুরোধ জানায়।

কিন্তু ভারতের বিদুৎ বাণিজ্য সংস্থা নেপালকে জানায়, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লাইন আছে সেটি দিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়।

 

নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বাহাদুর থাপা বলেছেন, “এবার বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে। যদিও বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, কিন্তু আগের ৪০ মেগাওয়াটের মতো আমরা ভারতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানায়, বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির মতো সক্ষমতা তাদের নেই।”

এখন বাংলাদেশে বাড়তি এই বিদ্যুৎ রপ্তানি নিয়ে নেপাল ও ভারতকে আবারও আলোচনায় বসতে হবে। কিন্তু এ আলোচনা কবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার দেশটি বাংলাদেশে বিদুৎ পাঠায়। ওইদিন ১২ ঘণ্টা তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। নেপালের বিদ্যুৎ ঢালকেবার-মুজাফ্ফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে প্রথমে ভারতে যায়। এরপর বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ

আপডেট সময় : ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আগামী ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল। যদিও ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির কথা ছিল। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না মেলায় এ বাড়তি বিদ্যুৎ ঢাকায় আসছে না। রোববার (১৪ জুন) দেশটির জ্বালানি কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

 

তারা বলেছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) বিদ্যুৎ পরিবহন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ দেখিয়ে অনুমোদন স্থগিত করে দিয়েছে।

এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, নতুন একটি সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি, নেপাল-ভারতের জ্বালানি বিভাগের সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্তসহ আরও কিছু বিষয় এখনো সম্পন্ন করা বাকি।

বর্ষা মৌসুমে নেপাল তার বাড়তি বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ও ভারতে রপ্তানি করে। অপরদিকে শীতকালে ভারত থেকে তারা উল্টো বিদ্যুৎ আমদানি করে।

২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর ঢাকায় নেপাল-ভারতের সচিব পর্যায়ের কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির বিদ্যমান চুক্তির বাইরে আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির চুক্তি হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারেও সবাই একমত হয়।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থা লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশে বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যবস্থার অনুরোধ জানায়।

কিন্তু ভারতের বিদুৎ বাণিজ্য সংস্থা নেপালকে জানায়, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের যে লাইন আছে সেটি দিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়।

 

নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বাহাদুর থাপা বলেছেন, “এবার বাংলাদেশে শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে। যদিও বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, কিন্তু আগের ৪০ মেগাওয়াটের মতো আমরা ভারতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানায়, বাড়তি ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির মতো সক্ষমতা তাদের নেই।”

এখন বাংলাদেশে বাড়তি এই বিদ্যুৎ রপ্তানি নিয়ে নেপাল ও ভারতকে আবারও আলোচনায় বসতে হবে। কিন্তু এ আলোচনা কবে হবে সেটি এখনো ঠিক হয়নি।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানির ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার দেশটি বাংলাদেশে বিদুৎ পাঠায়। ওইদিন ১২ ঘণ্টা তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। নেপালের বিদ্যুৎ ঢালকেবার-মুজাফ্ফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে প্রথমে ভারতে যায়। এরপর বহরমপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট