কেরানীগঞ্জে বোমা খোকনএক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, তদন্তের দাবি।
- আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 6
কেরানীগঞ্জ সংবাদদাতা
কেরানীগঞ্জে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার এক ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দোসর মোঃ খোকন (স্থানীয়ভাবে পরিচিত)–এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি ।
তুলে প্রশাসনের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযোগকারীদের দাবি,
কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের মিছিল ও গাড়ি বিস্ফোরণ ভাংচুর সহ মিছিল নেতৃত্ব দেন মোঃ খোকন, এই খোকন প্রতিদিন ২৪ ঘন্টার ভিতরে ১২ ঘন্টায় ঢাকা জেলা ডিবি অফিসের সামনে সিদ্দিকের চায়ের দোকানে আড্ডা মারে কয়েকজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে দেখা যায় ডিবির কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগের লোকজন ধরে আনে এই তথ্য গোয়েন্দাগিরি করে এই বোমা খোকন চায়ে দোকানে বসে খবর নেয় এবং আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করে খবর পাচার করে এই বোমা কখন তার মোবাইলেই তার রাজনীতিরপ্রমাণ মোঃ খোকন , সাবেক বিদ্যুৎ মন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুল পিএস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মই মামুন এর লোক। বোমা খোকন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য,
ও হাজি রাসেরলোক স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মোঃ শামীমের বন্ধু। তারা এখনো কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে বুক ফুলিয়ে। কখনো সাংবাদিক পরিচয় কখনো মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দেয় আর কিছু সাংবাদিকদের সাথে চলাফেরা করে এই মোঃ খোকন যার জন্য মানুষ বুঝে উঠতে পারছে না যে কখন আওয়ামী লীগের দোষে কেরানীগঞ্জের যেত মিছিল হয় এই খোকনের নেতৃত্বে খোকনের ফেসবুকে এবং খোকনের মোবাইলে আওয়ামী লীগের দোষের ছবি অভাব নাই সে ভয় পায় না অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তাদের ভাষ্যমতে, তিনি কখনও সাংবাদিক, কখনও মানবাধিকারকর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চলাফেরা করেন এবং কিছু ব্যক্তির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন।
এছাড়া অভিযোগকারীরা দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোনে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন ছবি ও তথ্য রয়েছে বলে তারা মনে করেন। এসব তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতিদিন ঢাকা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ের সামনের একটি চায়ের দোকানে অবস্থান করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং স্বাধীনভাবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে তারা অনুরোধ করেন, গুজব বা অপপ্রচার নয়, বরং প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হোক।



















