ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা সাংবাদিক মুন্না মিয়ার মৃত্যুতে ডিএসইসির শোক কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, প্রতারণা মামলায় আরও দুইজন আটক।

পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে নাগরিকত্বের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আনোয়ার সাঈদ তিতু
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 129
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চেহারার সাথে ছবি মিলিয়ে পরিচয় যাচাই নয়, ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করার দাবিতে কুড়িগ্রামে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পর্দানশীন নারী সমাজ।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ৩ টায় কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেত্রীরা। এর আগে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে তারা একটি সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ পর্দানশীন নারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ১৬ বছর ধরে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তারা দাবি জানান, পরিচয় যাচাইয়ে চেহারা ও ছবির মিলের পরিবর্তে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া এনআইডি এবং শিক্ষার অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় পর্দানশীন নারী সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে তিন দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো ১. বিগত ১৬ বছর ধরে যেসব নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২. পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে। ৩. পরিচয় যাচাইয়ে ছবি মিলানোর পদ্ধতি বাতিল করে শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় পুরুষের পরিবর্তে নারী সহকারী বাধ্যতামূলক রাখতে হবে।

সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অথচ বাংলাদেশে আমাদের ধর্মীয় অধিকারকে উপেক্ষা করে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এনআইডি না থাকায় আমরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি না মানা হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে নাগরিকত্বের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

চেহারার সাথে ছবি মিলিয়ে পরিচয় যাচাই নয়, ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করার দাবিতে কুড়িগ্রামে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পর্দানশীন নারী সমাজ।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ৩ টায় কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেত্রীরা। এর আগে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে তারা একটি সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ পর্দানশীন নারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ১৬ বছর ধরে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তারা দাবি জানান, পরিচয় যাচাইয়ে চেহারা ও ছবির মিলের পরিবর্তে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া এনআইডি এবং শিক্ষার অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় পর্দানশীন নারী সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে তিন দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো ১. বিগত ১৬ বছর ধরে যেসব নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২. পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে। ৩. পরিচয় যাচাইয়ে ছবি মিলানোর পদ্ধতি বাতিল করে শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় পুরুষের পরিবর্তে নারী সহকারী বাধ্যতামূলক রাখতে হবে।

সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অথচ বাংলাদেশে আমাদের ধর্মীয় অধিকারকে উপেক্ষা করে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এনআইডি না থাকায় আমরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি না মানা হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”