ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউপি কার্যালয়ে হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে, মতিসহ অন্যদের বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল থানায় লিখিত অভিযোগ বান্দরবান কৃষক দলের শীর্ষ পদে ‘হাইব্রিড’ নেতা অহিদুর! ধানের চারা রোপণের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান কুল্লা ইউনিয়নে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে সবুজায়নের অঙ্গীকার ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে উদ্ধার অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে, স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিল বড় ভাই, ত্রিশালে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু নীলক্ষেতে ‘ভোজেশ্বরের ইতিকথা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে নাগরিকত্বের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আনোয়ার সাঈদ তিতু
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 114
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চেহারার সাথে ছবি মিলিয়ে পরিচয় যাচাই নয়, ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করার দাবিতে কুড়িগ্রামে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পর্দানশীন নারী সমাজ।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ৩ টায় কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেত্রীরা। এর আগে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে তারা একটি সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ পর্দানশীন নারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ১৬ বছর ধরে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তারা দাবি জানান, পরিচয় যাচাইয়ে চেহারা ও ছবির মিলের পরিবর্তে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া এনআইডি এবং শিক্ষার অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় পর্দানশীন নারী সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে তিন দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো ১. বিগত ১৬ বছর ধরে যেসব নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২. পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে। ৩. পরিচয় যাচাইয়ে ছবি মিলানোর পদ্ধতি বাতিল করে শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় পুরুষের পরিবর্তে নারী সহকারী বাধ্যতামূলক রাখতে হবে।

সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অথচ বাংলাদেশে আমাদের ধর্মীয় অধিকারকে উপেক্ষা করে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এনআইডি না থাকায় আমরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি না মানা হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে নাগরিকত্বের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

চেহারার সাথে ছবি মিলিয়ে পরিচয় যাচাই নয়, ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করার দাবিতে কুড়িগ্রামে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পর্দানশীন নারী সমাজ।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ৩ টায় কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেত্রীরা। এর আগে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে তারা একটি সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ পর্দানশীন নারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে ১৬ বছর ধরে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তারা দাবি জানান, পরিচয় যাচাইয়ে চেহারা ও ছবির মিলের পরিবর্তে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে। এছাড়া এনআইডি এবং শিক্ষার অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় পর্দানশীন নারী সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে তিন দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো ১. বিগত ১৬ বছর ধরে যেসব নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ২. পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় অধিকার ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে। ৩. পরিচয় যাচাইয়ে ছবি মিলানোর পদ্ধতি বাতিল করে শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় পুরুষের পরিবর্তে নারী সহকারী বাধ্যতামূলক রাখতে হবে।

সংগঠনের সংগঠক আহমদ উম্মুল হায়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য শুধুমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অথচ বাংলাদেশে আমাদের ধর্মীয় অধিকারকে উপেক্ষা করে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এনআইডি না থাকায় আমরা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি না মানা হলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”