ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কমলগঞ্জে মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ। মধুপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ২৫ বিতাড়িত হওয়ার দুই দশক পর ফের কলকাতায় তসলিমা নাসরিন ‘আর অনলাইনে আসা হবে না’ পোস্টের পরদিন খালে মিলল গার্মেন্টস কর্মীর মরদেহ ৮ বছরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন, বদলায়নি বর্ধিত ওয়ার্ডের চিত্র মে ও জুন মাসে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা নির্বাচিত এসআই এনামুল হক উবহাটা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় কাজ করতে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রিপন তরফদার মোবাইল চুরির অপবাদে নাতিকে মারধর, বাধা দিতে গিয়ে দাদা খুন: দুই অভিযুক্ত গ্রেফতার ময়মনসিংহে ডিবি-থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে আরও ৯ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ সন্ত্রাসী নিহত, দাবি ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 106
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের মিসাইল হামলার পর আলোকিত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ
পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এমনই দাবি করেছে ভারত।

একইসঙ্গে ভারতের দাবি, নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী। বুধবার (৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরে “৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে” ২৪টি সুনির্দিষ্ট মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুরে হামলা করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই হামলায় অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে “বড় ধরনের ধাক্কা” দিয়েছে।

হামলাগুলো বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে চালানো হয়। মূলত জম্মু-কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে গত ২২ এপ্রিলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় এবং একজন নেপালের নাগরিক।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, “পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের যেসব ঘাঁটি থেকে ভারতের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়, সেগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, “আমাদের এই অভিযান সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির চেষ্টা নয়। কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। লক্ষ্য বাছাই ও হামলার পদ্ধতিতে ভারত যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে।”

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা “দায়ীদের জবাবদিহির আওতায়” আনছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ সন্ত্রাসী নিহত, দাবি ভারতের

আপডেট সময় : ০৬:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

ভারতের মিসাইল হামলার পর আলোকিত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ
পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এমনই দাবি করেছে ভারত।

একইসঙ্গে ভারতের দাবি, নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী। বুধবার (৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরে “৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে” ২৪টি সুনির্দিষ্ট মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুরে হামলা করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই হামলায় অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে “বড় ধরনের ধাক্কা” দিয়েছে।

হামলাগুলো বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে চালানো হয়। মূলত জম্মু-কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে গত ২২ এপ্রিলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় এবং একজন নেপালের নাগরিক।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, “পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের যেসব ঘাঁটি থেকে ভারতের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়, সেগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, “আমাদের এই অভিযান সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির চেষ্টা নয়। কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। লক্ষ্য বাছাই ও হামলার পদ্ধতিতে ভারত যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে।”

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা “দায়ীদের জবাবদিহির আওতায়” আনছে।