ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোমবার থেকে ২০ শতাংশ বেশি বিক্রি হবে অকটেন, পেট্রোল-ডিজেল ১০ শতাংশ তারাকান্দায় উত্তেজনা: বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচিকে ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি বজ্রপাতে ১৮ দিনে ১৫ জনের মৃত্যু, একদিনেই প্রাণ হারালেন ১২ জন ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৩৪ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দোয়ারাবাজারে সংবাদ সম্মেলন। উলিপুরে বিজ্ঞানচর্চায় নতুন দিগন্ত: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী উচ্ছ্বাস শেরপুরের চলাঞ্চলে ব্রিজ ও পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবিতে বিশ হাজারের বেশি মানুষ মানববন্ধন ও সমাবেশ অংশগ্রহন করেন দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ : জামায়াত আমির এতো অল্প সময়ে সব জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয় : পানিসম্পদ মন্ত্রী হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখতে রিট শুনবেন হাইকোর্ট

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ সন্ত্রাসী নিহত, দাবি ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 84
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের মিসাইল হামলার পর আলোকিত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ
পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এমনই দাবি করেছে ভারত।

একইসঙ্গে ভারতের দাবি, নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী। বুধবার (৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরে “৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে” ২৪টি সুনির্দিষ্ট মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুরে হামলা করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই হামলায় অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে “বড় ধরনের ধাক্কা” দিয়েছে।

হামলাগুলো বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে চালানো হয়। মূলত জম্মু-কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে গত ২২ এপ্রিলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় এবং একজন নেপালের নাগরিক।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, “পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের যেসব ঘাঁটি থেকে ভারতের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়, সেগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, “আমাদের এই অভিযান সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির চেষ্টা নয়। কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। লক্ষ্য বাছাই ও হামলার পদ্ধতিতে ভারত যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে।”

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা “দায়ীদের জবাবদিহির আওতায়” আনছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ সন্ত্রাসী নিহত, দাবি ভারতের

আপডেট সময় : ০৬:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

ভারতের মিসাইল হামলার পর আলোকিত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ
পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এমনই দাবি করেছে ভারত।

একইসঙ্গে ভারতের দাবি, নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী। বুধবার (৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরে “৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে” ২৪টি সুনির্দিষ্ট মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে লস্কর-ই-তইবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুরে হামলা করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই হামলায় অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে “বড় ধরনের ধাক্কা” দিয়েছে।

হামলাগুলো বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে চালানো হয়। মূলত জম্মু-কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে গত ২২ এপ্রিলের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় এবং একজন নেপালের নাগরিক।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, “পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরের যেসব ঘাঁটি থেকে ভারতের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়, সেগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, “আমাদের এই অভিযান সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির চেষ্টা নয়। কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। লক্ষ্য বাছাই ও হামলার পদ্ধতিতে ভারত যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে।”

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা “দায়ীদের জবাবদিহির আওতায়” আনছে।