ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 104
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২৯১ রানের টার্গেট নির্ধারণের পরই বাংলাদেশের পেসাররা পাকিস্তানের ব্যাটিংকে চাপে ফেলেন। শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান হুমকির মুখে পড়লেও একাই দলকে টেনে আনেন সালমান আলি আগা। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনায় বাংলাদেশ ১১ রানে জয় অর্জন করে এবং ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিততে সক্ষম হয় মেহেদি হাসান মিরাজদের নেতৃত্বে।

এটি বাংলাদেশের পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা সিরিজ জয়ের নজির। শেষবার ২০১৫ সালে তারা পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই পাকিস্তান চাপে পড়ে। বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানে হারায় প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের প্রথম ওভারে তাসকিন সাহিবজাদা ফারহান (৬) আউট করেন। পরের ওভারে নাহিদ মাজ সাদাকাতকে (৬) ফেরান এবং নিজের দ্বিতীয় ওভারে রিজওয়ানকে (৪) আউট করেন।

চাপে পড়া দলের হাল ধরার চেষ্টা চালান গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে তারা বেশি স্থায়িত্ব রাখতে পারেননি। ৩৯ বলে ২৯ রানে ঘুরি এবং ৪৫ বলে ৩৪ রানে সামাদ আউট হন।

বিপদের সময় দলের হাল ধরেন সালমান আলি আগা, সঙ্গ দেন সাদ মাসুদ। অভিষিক্ত এই ব্যাটার দারুণ শুরু পেয়ে ৩৮ রানে মুস্তাফিজের বোলিংয়ে আউট হন। শেষ পর্যন্ত সালমান-মাসুদ জুটির ৭৯ রানের অবদান থাকে। এরপর ক্রিজে নেমে ফাহিম আশরাফ চেষ্টা করেন, তবে তাসকিন আহমেদ তাকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন তাসকিন আহমেদ, যিনি একাই চারটি উইকেট নেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ উদ্বোধনী জুটিতে ১০৫ রান সংগ্রহ করে। সাইফ ৫৫ বলে ৩৬ রানে আউট হন, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করেন। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম অভিষেক সেঞ্চুরি করেন, ১০৭ বলে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন। লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় চতুর্থ উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া আবরার ও শাহিন শাহ আফ্রিদি একজন করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশের জয়ের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচটি সিরিজ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২৯১ রানের টার্গেট নির্ধারণের পরই বাংলাদেশের পেসাররা পাকিস্তানের ব্যাটিংকে চাপে ফেলেন। শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান হুমকির মুখে পড়লেও একাই দলকে টেনে আনেন সালমান আলি আগা। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনায় বাংলাদেশ ১১ রানে জয় অর্জন করে এবং ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিততে সক্ষম হয় মেহেদি হাসান মিরাজদের নেতৃত্বে।

এটি বাংলাদেশের পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা সিরিজ জয়ের নজির। শেষবার ২০১৫ সালে তারা পাকিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই পাকিস্তান চাপে পড়ে। বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১৭ রানে হারায় প্রথম তিন উইকেট। ইনিংসের প্রথম ওভারে তাসকিন সাহিবজাদা ফারহান (৬) আউট করেন। পরের ওভারে নাহিদ মাজ সাদাকাতকে (৬) ফেরান এবং নিজের দ্বিতীয় ওভারে রিজওয়ানকে (৪) আউট করেন।

চাপে পড়া দলের হাল ধরার চেষ্টা চালান গাজি ঘুরি ও আব্দুল সামাদ। তবে তারা বেশি স্থায়িত্ব রাখতে পারেননি। ৩৯ বলে ২৯ রানে ঘুরি এবং ৪৫ বলে ৩৪ রানে সামাদ আউট হন।

বিপদের সময় দলের হাল ধরেন সালমান আলি আগা, সঙ্গ দেন সাদ মাসুদ। অভিষিক্ত এই ব্যাটার দারুণ শুরু পেয়ে ৩৮ রানে মুস্তাফিজের বোলিংয়ে আউট হন। শেষ পর্যন্ত সালমান-মাসুদ জুটির ৭৯ রানের অবদান থাকে। এরপর ক্রিজে নেমে ফাহিম আশরাফ চেষ্টা করেন, তবে তাসকিন আহমেদ তাকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান।

বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন তাসকিন আহমেদ, যিনি একাই চারটি উইকেট নেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ উদ্বোধনী জুটিতে ১০৫ রান সংগ্রহ করে। সাইফ ৫৫ বলে ৩৬ রানে আউট হন, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করেন। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম অভিষেক সেঞ্চুরি করেন, ১০৭ বলে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন। লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় চতুর্থ উইকেটে ৬৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া আবরার ও শাহিন শাহ আফ্রিদি একজন করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশের জয়ের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচটি সিরিজ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে।