ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই কাজ হয়ে যাবে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 9
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির প্রতিশ্রুতি বিএনপির পরিকল্পনা, জনগণের পরিকল্পনা। এটি যারা ভেস্তে দিতে চায় তাদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই বিএনপির কাজ হয়ে যাবে। কারণ এই দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। মালিক যদি সতর্ক থাকে আর কারোর কোনো টেনশন থাকবে না।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ডের ৩য় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, জনগণকেও তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা, শিক্ষার ব্যবস্থা করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা। কিন্তু বাংলাদেশ শুধু কোনো সরকার, দল বা পরিবারকে নিয়ে নয়, বাংলাদেশ ২০ কোটি মানুষের বাংলাদেশ। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হলে এই ২০ কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

 

তারেক রহমান বলেন, অতীতে যখনই দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা স্থিতিশীলতার পথে এগিয়েছে, তখনই বিভিন্ন সময়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছে, অবরোধ হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে। কিন্তু এখন দেশের মানুষ কাজ চায়, শান্তি চায় এবং ভালোভাবে বাঁচতে চায়।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের চার কোটি পরিবারের নারীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রায় তিন কোটি কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পোশাক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী পৌঁছে দিতে চায়। একই সঙ্গে খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ উন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিরোধীদের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, যারা বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা জনগণের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে কথা বলে। কারণ এই সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে চায়।

 

তিনি বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আমাদের শক্তির উৎস জনগণ। জনগণই আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, নির্বাচনের ফলাফলের পর তা শুধু বিএনপির প্রতিশ্রুতি নয়, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিএনপিকে পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তাই জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কিংবা সরকারকে কাজ করার সময় না দেওয়ার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা আজ নানা কথা বলছে, তাদের অনেককে গণতন্ত্রের আন্দোলনে দেখা যায়নি। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছে, যারা গুম হয়েছে, যারা জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে, তাদের বড় অংশই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করে ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, জনগণের অর্থ আর বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না। দেশের অর্থ দেশের মানুষের কল্যাণেই ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, এই দেশ স্বাধীন করেছে বাংলাদেশের জনগণ। এই দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে বাংলাদেশের জনগণ। কাজেই দেশকেও গড়ে তুলবে বাংলাদেশের জনগণই। আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গড়ার রাজনীতি। দেশ ও দেশের মানুষকে ঘিরেই আমাদের সকল কর্মপরিকল্পনা হবে। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।

একই সঙ্গে বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন রোগীর মধ্যে আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক সহায়তা, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের অনুদান এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র ও অনুদানের চেক বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে বিকেল ৪টায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরও ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অনুদানের চেকও বিতরণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই কাজ হয়ে যাবে

আপডেট সময় : ০৫:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির প্রতিশ্রুতি বিএনপির পরিকল্পনা, জনগণের পরিকল্পনা। এটি যারা ভেস্তে দিতে চায় তাদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপির কিছু করা লাগবে না, জনগণ সতর্ক থাকলেই বিএনপির কাজ হয়ে যাবে। কারণ এই দেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। মালিক যদি সতর্ক থাকে আর কারোর কোনো টেনশন থাকবে না।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ডের ৩য় পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, জনগণকেও তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা, শিক্ষার ব্যবস্থা করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা। কিন্তু বাংলাদেশ শুধু কোনো সরকার, দল বা পরিবারকে নিয়ে নয়, বাংলাদেশ ২০ কোটি মানুষের বাংলাদেশ। দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হলে এই ২০ কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

 

তারেক রহমান বলেন, অতীতে যখনই দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা স্থিতিশীলতার পথে এগিয়েছে, তখনই বিভিন্ন সময়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ১৭৩ দিন হরতাল হয়েছে, অবরোধ হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে। কিন্তু এখন দেশের মানুষ কাজ চায়, শান্তি চায় এবং ভালোভাবে বাঁচতে চায়।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের চার কোটি পরিবারের নারীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রায় তিন কোটি কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পোশাক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী পৌঁছে দিতে চায়। একই সঙ্গে খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ উন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিরোধীদের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, যারা বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা জনগণের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে কথা বলে। কারণ এই সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করতে চায়।

 

তিনি বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। আমাদের শক্তির উৎস জনগণ। জনগণই আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, নির্বাচনের ফলাফলের পর তা শুধু বিএনপির প্রতিশ্রুতি নয়, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিএনপিকে পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তাই জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কিংবা সরকারকে কাজ করার সময় না দেওয়ার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা আজ নানা কথা বলছে, তাদের অনেককে গণতন্ত্রের আন্দোলনে দেখা যায়নি। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছে, যারা গুম হয়েছে, যারা জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে, তাদের বড় অংশই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করে ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, জনগণের অর্থ আর বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না। দেশের অর্থ দেশের মানুষের কল্যাণেই ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, এই দেশ স্বাধীন করেছে বাংলাদেশের জনগণ। এই দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে বাংলাদেশের জনগণ। কাজেই দেশকেও গড়ে তুলবে বাংলাদেশের জনগণই। আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গড়ার রাজনীতি। দেশ ও দেশের মানুষকে ঘিরেই আমাদের সকল কর্মপরিকল্পনা হবে। সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।

একই সঙ্গে বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন রোগীর মধ্যে আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক সহায়তা, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের অনুদান এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র ও অনুদানের চেক বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে বিকেল ৪টায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরও ১৫৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অনুদানের চেকও বিতরণ করেন।