ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতুল বসাকের মতবিনিময়, রামরাই বিনোদন পার্কের প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে আলোচনা

জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে দ্রুত আমদানির অনুমতি প্রস্তাব মালিক সমিতির

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 163
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বাজারে চলমান জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম এই প্রস্তাব জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও মন্ত্রণালয়ের ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে জনগণের কাছে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এতে বলা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কিছু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা ছাড়াই গত ১০-১২ দিন ধরে সারাদেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনে ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হয়েছে, যাকে ‘প্রতারণামূলক কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

 

মালিক সমিতির দাবি, সব ডিপোতে তেল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই এবং তেলবাহী জাহাজগুলো জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ মিলছে না। ফলে তেল আসার দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই পাম্পগুলো শূন্য হয়ে পড়ছে।

সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম আরও বলেন, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে ডিলাররা সংকটে রয়েছেন। ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি ট্যাঙ্কলরি ২০০-২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে এসে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে, কিন্তু সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে তেল বিক্রি করায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের কোনো সুযোগ থাকছে না।

মালিক সমিতির মতে, গত ১০-১২ দিনের এই ঘাটতি আগামী এক মাসেও পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত তেল সরবরাহ করা জরুরি।

বিবৃতিতে প্রস্তাব করা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ হয়, তবে যে সকল ব্যবসায়ীর সক্ষমতা আছে তাদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে তেল সরবরাহ করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে মনে করে সংগঠনটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে দ্রুত আমদানির অনুমতি প্রস্তাব মালিক সমিতির

আপডেট সময় : ০২:২১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

দেশের বাজারে চলমান জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম এই প্রস্তাব জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও মন্ত্রণালয়ের ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে জনগণের কাছে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এতে বলা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কিছু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা ছাড়াই গত ১০-১২ দিন ধরে সারাদেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনে ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হয়েছে, যাকে ‘প্রতারণামূলক কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

 

মালিক সমিতির দাবি, সব ডিপোতে তেল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই এবং তেলবাহী জাহাজগুলো জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ মিলছে না। ফলে তেল আসার দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই পাম্পগুলো শূন্য হয়ে পড়ছে।

সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম আরও বলেন, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে ডিলাররা সংকটে রয়েছেন। ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি ট্যাঙ্কলরি ২০০-২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে এসে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে, কিন্তু সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে তেল বিক্রি করায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের কোনো সুযোগ থাকছে না।

মালিক সমিতির মতে, গত ১০-১২ দিনের এই ঘাটতি আগামী এক মাসেও পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত তেল সরবরাহ করা জরুরি।

বিবৃতিতে প্রস্তাব করা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ হয়, তবে যে সকল ব্যবসায়ীর সক্ষমতা আছে তাদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে তেল সরবরাহ করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে মনে করে সংগঠনটি।