উখিয়ায় সমাজসেবকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০১:১৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 52
গাছপালা কেটে ক্ষয়ক্ষতি, থানায় লিখিত অভিযোগ; তদন্তে পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, উখিয়া (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গয়ালমারা গ্রামে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আলহাজ শামসুল আলমের বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, গাছপালা কেটে ফেলা, চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শামসুল আলম। অভিযোগটি গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
লিখিত অভিযোগে শাহ আলম, জালাল আহাম্মেদ, কাসেম ও রুস্তম আলীসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করছেন উখিয়া থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই সকালে শামসুল আলম বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন। সে সময় বাড়িতে তাঁর স্ত্রী একাই ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা বাড়ির চারপাশের ঘেরা বেড়া ভাঙচুর করেন, বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলেন এবং পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
শামসুল আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে চাপ প্রয়োগ এবং চাঁদা দাবি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। সর্বশেষ ঘটনার পর তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাশের বাড়ির বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁকে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
শামসুল আলমের পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থলের ভাঙচুর, কাটা গাছপালা এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে।
স্থানীয়ভাবে শামসুল আলমের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে বসবাস করে আসছে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত। তাঁর বড় ছেলে ঢাকা ওয়াসার একজন প্রকৌশলী এবং পুত্রবধূ বিসিএস ক্যাডার। বড় মেয়ে ও তাঁর স্বামী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। ছোট মেয়ে ও তাঁর স্বামী উভয়েই টেক্সটাইল প্রকৌশলী।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।



















