ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল হাসপাতালে কতৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষক মৃত্যুর অভিযোগ। উখিয়ায় সমাজসেবকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ মোবাইল হ্যাক করে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ময়মনসিংহে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ১ শেরপুরের গজনী এলাকায় বিজিবির অভিযান: ৩২১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ৫ পাচারকারী পলাতক কেরানীগঞ্জে বোমা খোকনএক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, তদন্তের দাবি। দিঘারকান্দা সিএনজি পাম্পে সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা, নানা অনিয়মের অভিযোগ নেত্রকোনায় সৌর বিদ্যুৎ খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় সভা আইজিপি পরিচয়ে ওসিকে ফোন করলেন যুবক মাছের ঘেরে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন সাংবাদিকরা আমাদের চোখ, সংবাদ হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল হাসপাতালে কতৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষক মৃত্যুর অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 6
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে চুনকুটিয়া এলাকার, ঝিলমিল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৫ জুলাই নিহত আবু হানিফ পাইলস রোগের চিকিৎসার জন্য কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ আবু খায়ের এর নিকটে যান। তার পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পাইলস রোগের অপারেশনের জন্য ঝিলমিল হাসপাতালে ২৭ তারিখ বিকেল পাঁচটায় ভর্তি হলে অপারেশনের থিয়েটারে রাত ১১ টায় নেয়া হয়, এক ঘণ্টার অপারেশন শেষে হাসপাতালের বিছানা আবু হানিফকে দেয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ‌ পরিবারের।

 

নিহত আবু হানিফের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা বলছে, অপারেশন করা ডাক্তার মোহাম্মদ আবু খায়ের রোগীকে তড়িঘড়ি করে বুঝিয়ে দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এবং হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তাররা একের পর এক স্লাইন, সাপ্লিমেন্ট এবং ইনজেকশন পুশ করে আবু হানিফকে মেরে ফেলেছে। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

ঝিলমিল হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তুহিন তিনি জানান হাসপাতালে নেই। দায়িত্বরত স্টাফের সাথে কথা বলতে তখন ম্যানেজার,নারায়ন সরকার
বলেন: ভুল চিকিৎসায় কিনা তা জানিনা, রাত ১টা ১৮ মিনিটে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাঁচাতে মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

অপারেশন করা ডাক্তারের ডাঃ মোহাম্মদ আবু খায়ের নিকট যোগাযোগ করলে তিনি বলেন: চিকিৎসায় ভুল নেই , অপারেশন করে তাকে হাসপাতালের বিছানায় দেয়া হয়েছে। স্টক করতে পারে।

 

তাৎক্ষণিকভাবে, নিহতের পরিবার মরদেহটিকে হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গ্রহণ করে দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। দাফন শেষে মামলার প্রস্তুতি নিবে বলে জানায় তারা

নিহত আবু হানিফ চুনকুটিয়া চৌরাস্তা এলাকার শরীফের বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া। পরিবারে তিন সন্তান এবং স্ত্রী রয়েছে।

তিনি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার দক্ষিণ লক্ষ্মীপাশা কাশিমপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

এই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক হরি চাঁদ জানায়, নিহতের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চেয়েছে থানা থেকে অনুমোদন করিয়ে দেয়া হয়েছে। যদি তারা অভিযোগ বা মামলা করতে চায় থানা থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল হাসপাতালে কতৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষক মৃত্যুর অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে চুনকুটিয়া এলাকার, ঝিলমিল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৫ জুলাই নিহত আবু হানিফ পাইলস রোগের চিকিৎসার জন্য কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ আবু খায়ের এর নিকটে যান। তার পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পাইলস রোগের অপারেশনের জন্য ঝিলমিল হাসপাতালে ২৭ তারিখ বিকেল পাঁচটায় ভর্তি হলে অপারেশনের থিয়েটারে রাত ১১ টায় নেয়া হয়, এক ঘণ্টার অপারেশন শেষে হাসপাতালের বিছানা আবু হানিফকে দেয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ‌ পরিবারের।

 

নিহত আবু হানিফের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা বলছে, অপারেশন করা ডাক্তার মোহাম্মদ আবু খায়ের রোগীকে তড়িঘড়ি করে বুঝিয়ে দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এবং হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তাররা একের পর এক স্লাইন, সাপ্লিমেন্ট এবং ইনজেকশন পুশ করে আবু হানিফকে মেরে ফেলেছে। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

ঝিলমিল হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তুহিন তিনি জানান হাসপাতালে নেই। দায়িত্বরত স্টাফের সাথে কথা বলতে তখন ম্যানেজার,নারায়ন সরকার
বলেন: ভুল চিকিৎসায় কিনা তা জানিনা, রাত ১টা ১৮ মিনিটে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাঁচাতে মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

অপারেশন করা ডাক্তারের ডাঃ মোহাম্মদ আবু খায়ের নিকট যোগাযোগ করলে তিনি বলেন: চিকিৎসায় ভুল নেই , অপারেশন করে তাকে হাসপাতালের বিছানায় দেয়া হয়েছে। স্টক করতে পারে।

 

তাৎক্ষণিকভাবে, নিহতের পরিবার মরদেহটিকে হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গ্রহণ করে দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। দাফন শেষে মামলার প্রস্তুতি নিবে বলে জানায় তারা

নিহত আবু হানিফ চুনকুটিয়া চৌরাস্তা এলাকার শরীফের বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া। পরিবারে তিন সন্তান এবং স্ত্রী রয়েছে।

তিনি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার দক্ষিণ লক্ষ্মীপাশা কাশিমপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

এই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক হরি চাঁদ জানায়, নিহতের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চেয়েছে থানা থেকে অনুমোদন করিয়ে দেয়া হয়েছে। যদি তারা অভিযোগ বা মামলা করতে চায় থানা থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।