৩ দিন পর আবারও প্রায় ৮ লক্ষ টাকার বিদেশী পন্য জব্দ করেছে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
- আপডেট সময় : ০১:৪৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
- / 267
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর রাতে বংশালের একটি পার্সেল অফিস থেকে শুল্পবিহীন বিদেশি পন্য ভারতীয় থ্রি পিচ ও শাড়ী জব্দ করা হয়েছে।
আজ সকাল ১০টায় এসএ পরিবহনের মালিটোলা শাখা থেকে প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় শাড়ী ও ত্রিপিচ ডেলিভারির পর একটি ভ্যানে করে তাদের গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার সময়ই পুলিশ মালামাল জব্দ করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমরা তাদেরকে পন্যের বৈধ কাগজপত্র প্রদশর্নের জন্য প্রায় ২ ঘন্টা সময় দিয়েছিলাম। কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও উৎসুক জনতার সামনেই মালামালগুলোকে বস্তা ও প্যাকেট থেকে খুলে দেখা যায় এসবপন্য বিদেশী বলে প্রতীয়মান হয়। তারপর সবমালামাল সবার সম্মূখে গণনা করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় এসএ টিভির গাড়ীতে আসা আসাদ নামের একজন ভদ্রলোক এসে এসএ পরিবহনের জিএম পরিচয় দিয়ে আমাদের কর্তব্যরত পুলিশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পন্যের মালিকের পরিবর্তে কেন তিনি এসে পুলিশের কাজে বাঁধা দিচ্ছেন? এমন প্রশ্নে জিএম আসাদ বলেন, এসএ পরিবহনের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে বলেই তিনি এসেছেন। তবে পুলিশের কাজে বাঁধা না দেয়ার জন্য অনুরোধ করার পরও তিনি পুলিশকে তাদের নিউজ মিডিয়া এনে ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন।
এই ব্যাপারে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আপনারা জানেন যে বংশাল এলাকাতেই রাজধানীর বড়বড় ট্রান্সপোর্টগুলো অবস্থিত। আর কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা গোপনে ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অবৈধপথে বা চোরাচালানের মাধ্যমে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকার বিদেশী পন্য পরিবহন করে থাকে। শুল্কফাঁকি দিয়ে আসা সকল পন্য দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি করে। বর্তমানে দেশের সরকার তথা পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশে যেকোন অপকর্ম ও দূর্নীতি বন্ধে পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, তাকে দেয়া দায়িত্ব সততার সাথে পালন করে এলাকার আইনশৃঙ্খলা, অনিয়ম ও অপকর্ম নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের নির্দেশনা পালন করে যাবেন।
এই ব্যাপারে লালবাগ জোনের পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মোঃ জসিম উদ্দীন জানান, আমরা দেশের আইন শৃঙ্খলা পুনরায় নিয়ন্ত্রনে আনতে ও অবৈধ কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রনে আনতে সর্বোপরি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ বিভাগে বেশ সুনাম অর্জন করছি। এই ধরনের অপরাধ দমনে ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে তিনি আমাদের জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এরপর আগে ২৫ মার্চ আনুমানিক ২৬ লক্ষ টাকার বিদেশী পন্য জব্দ করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং ৩০ মার্চ আনুমানিক ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা মতে, তিনি যোগদান করার পরপরই সাড়ে ৫ টন নিসিদ্ধ পলিথিন জব্দ করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছিল




















