ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক দুইটি অভিযানে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ০৫ টি ভারতীয় গরু এবং ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ আটক

এস কে সুজন হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ।
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 92
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে অদ্য ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ০৫ টি ভারতীয় গরু এবং ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে, যার সিজার মূল্য আনুমানিক তিন লক্ষাধিক টাকা।

৫৫ বিজিবি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর বিওপির টহলদল সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় মাদক প্রবেশের গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে গতরাত বারোটার সময়ে সীমান্ত হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে রামনগর নামক এলাকায় ভারত হতে মাদক পাচারকারীরা মাদক নিয়ে এসে সীমান্ত এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। রাজেন্দ্রপুর বিজিবি টহল সংবাদ পেয়ে উক্ত স্থানে তল্লাশী করে জঙ্গলের মধ্যে লুকানো অবস্থায় মালিকবিহীন ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করতে সক্ষম হয়।

এছাড়াও পৃথক আরেকটি বিশেষ অভিযানে গুইবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার গুইবিল নামক স্থানে গত ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ বেলা ১২ টার সময় চোরাকারবারীরা ভারত হতে ০৫ টি গরু নিয়ে আসে। সুবিধামত সময়ে পাচারের উদ্দেশ্যে গরুগুলো জঙ্গলের ভেতর লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে গুইবিল বিওপির টহলদল অভিযান পরিচালনা করে উক্ত গরু গুলো মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে ৫৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে সর্বমোট ৮৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং ১৪১ বোতল ভারতীয় মদ আটক করতে সক্ষম হয়।

জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও গরু গুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কাস্টমস ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান দমনে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ জানায়, যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করা এবং দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছে বিজিবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক দুইটি অভিযানে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ০৫ টি ভারতীয় গরু এবং ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ আটক

আপডেট সময় : ০১:১৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে অদ্য ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ০৫ টি ভারতীয় গরু এবং ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে, যার সিজার মূল্য আনুমানিক তিন লক্ষাধিক টাকা।

৫৫ বিজিবি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর বিওপির টহলদল সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় মাদক প্রবেশের গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে গতরাত বারোটার সময়ে সীমান্ত হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে রামনগর নামক এলাকায় ভারত হতে মাদক পাচারকারীরা মাদক নিয়ে এসে সীমান্ত এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। রাজেন্দ্রপুর বিজিবি টহল সংবাদ পেয়ে উক্ত স্থানে তল্লাশী করে জঙ্গলের মধ্যে লুকানো অবস্থায় মালিকবিহীন ৪৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করতে সক্ষম হয়।

এছাড়াও পৃথক আরেকটি বিশেষ অভিযানে গুইবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার গুইবিল নামক স্থানে গত ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ বেলা ১২ টার সময় চোরাকারবারীরা ভারত হতে ০৫ টি গরু নিয়ে আসে। সুবিধামত সময়ে পাচারের উদ্দেশ্যে গরুগুলো জঙ্গলের ভেতর লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে গুইবিল বিওপির টহলদল অভিযান পরিচালনা করে উক্ত গরু গুলো মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ করতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে ৫৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে সর্বমোট ৮৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং ১৪১ বোতল ভারতীয় মদ আটক করতে সক্ষম হয়।

জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও গরু গুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কাস্টমস ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান দমনে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ জানায়, যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করা এবং দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছে বিজিবি।