ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, সংরক্ষণকালীন সময়ে কীটপতঙ্গের আক্রমণে দেশে ধানের বীজের ৭ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হচ্ছে। এতে শুধু খাদ্যশস্য নয়, উৎপাদনে ব্যবহৃত শ্রম, জমি, পানি ও অন্যান্য সম্পদেরও অপচয় হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশলী অনুষদের ডিন অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষকরা জানান, দেশে বছরে প্রায় ৩৫.৮৩ লাখ মেট্রিক টন ধান বীজের চাহিদা রয়েছে। সঠিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে অঙ্কুরোদগম হার অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব, যা বছরে প্রায় ৩.৫ লাখ মেট্রিক টন বীজ সাশ্রয়ে সহায়ক হবে।
তাদের মতে, স্মার্ট আল্ট্রাসনিক কীট নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিসহ আধুনিক সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করলে এই ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উৎপাদনের পাশাপাশি সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।