ঐতিহ্যবাহী কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব থাকা সত্ত্বেও ভূইফোর তথাকথিত সাংবাদিকদের সংগঠনের নাম দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ! তিন প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০১:১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
- / 61
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঐতিহ্যবাহী কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব থাকা সত্ত্বেও ভূইফোর তথাকথিত সাংবাদিকদের সংগঠনের নাম দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ! তিন প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে।১। ট্রাক চালক বৃন্দাবন মল্লিক ২।এম এল এম কোম্পানিতে কাজ করে গ্রহকের টাকা লোপাট করা প্রতারক! গ্রহক কতৃক মামলার আসামী এলাকা ছাড়া, এম নজরুল ইসলাম। ৩। ফটোকপির দোকানদার, প্রবাস ফেরত শরিফুল ইসলাম আকন, এই প্রতারকচক্র যখন দেখে দেশের আইন শৃংখলা অবনতি হলে তখন এই প্রতারকচক্র নিজেদের সাংবাদিক বলে
বিভিন্ন ব্যবসায়ি ও ছোট্ট ছোট্ট কলকারখানা,মাঝারি কলকারখানা গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গে কাছে গিয়ে চাদা দাবি করে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে,
ঢাকার পার্শ্ববর্তী বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় তথাকথিত ভূইফোর সাংবাদিকদের সংগঠনের নামে (দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব”)খুলে ঢাকা–মাওয়া সড়কের ব্রিজের নিচে সরকারি জমি দখল করে সাইনবোর্ড টানিয়ে “দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব” নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডকায় বসে প্রশাসনকে ম্যানেস করে চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বসবাসরত কয়েকজন পেশাদার সাংবাদিকের বরাত দিয়ে জানা যায়, নামসর্বস্ব এই ক্লাবটিতে গণমাধ্যমে কর্মরত স্বীকৃত সাংবাদিকের উপস্থিতি নাই, বরং বিতর্কিত কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে কথিত ক্লাব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে এই সংগঠনের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে অপসাংবাদিকতার অভিযোগ উঠেছিল। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি অভিযোগ রয়েছে, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইফতার মাহফিলের দাওয়াত কার্ড বিতরণের নামে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে কিছু প্রমাণও প্রতিবেদকের কাছে এসেছে।
এদিকে , নজরুল (০১৭১০৮৩৫৯৯৯,০১৭১১২৯৩৬৫৮)।শরিফুল (০১৭২৪০৫৫৬৫০)।বৃন্দাবন মল্লিক (০১৭৪৪২০৮১৭০)।এই নাম্বার গুলো প্রশাসন ট্রাকিং করলেই এবং অনলাইন ব্যাংকিং চেক করলেই চাঁদাবাজির চিত্র ফুটে উঠবে।অন্য এদিকে প্রশাসন যদি তাদের আটক করে হাতের মুঠোফোন গুলো চেক করলেই বেরিয়ে আসবে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আগামী ২২ রমজান কেরানীগঞ্জ বিআরটিএ সংলগ্ন এলাকায় একটি ইফতার মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ করে দাওয়াত কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, ওই কার্ডে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হিন্দু ধর্মালম্বী বৃন্দাবন মল্লিকের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন এম. নজরুল ইসলাম, যিনি নিজেকে একটি দৈনিক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসেবে পরিচয় দেন।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শায়েখ আল্লামা মহিউদ্দিন খাঁন ফারুকীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে নবজীবন পত্রিকার সম্পাদক নুরুন্নাহার রীতা এবং প্রধান আলোচক হিসেবে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আকাশের নাম ও কার্ডে রয়েছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রহমতউল্লাহ দেওয়ানের নাম।
তবে স্থানীয় পেশাদার সাংবাদিকদের দাবি, উল্লিখিত ব্যক্তিদের অনেকের সঙ্গেই তাদের কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ নেই। পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো সমন্বয় ছাড়াই এই আয়োজন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
সুশীল সমাজের মতে, গণমাধ্যম সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেখানে সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘটলে তা পুরো সাংবাদিক সমাজের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বিধায় সবাইকে সচেতন থাকার দাবি জানায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




















