ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ : সাংবাদিকসহ আহত ১২

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 57
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

আহতরা হলেন– ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের (২২); ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক (২৩), ঢাবি শিক্ষার্থী তানজিম (২১), আলভি (২২) ও এহসান (২৩) এবং ঢাবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক সিফাত (২০), লিটন (২১), খালিদ (২১)।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের মধ্যে সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত হলে তাদের হাসপাতাল নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে জরুরি বিভাগের ৪নং ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।

আহত সাংবাদিকরা হলেন- কালের কণ্ঠের মানজুর হোছাঈন মাহি, আগামীর সময়ের লিটন ইসলাম, ঢাকা ট্রিবিউনের শামসুদ্দৌজা নবাব, ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত, নয়া দিগন্তের হারুন ইসলাম, মানবজমিনের আসাদুজ্জামান খান, ডেইলি অবজারভারের নাইমুর রহমান ইমন এবং দেশ রূপান্তরের খালিদ হাসান।

তাদের মধ্যে ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত চোখ ও মুখে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নামে একটি ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টে ‘প্রধানমন্ত্রী’ তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে আবদুল্লাহ এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা পোস্ট দিলেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্ষান্ত হননি। উপরন্তু, ফেসবুকের মাধ্যমে তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হলে নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা সাতটার দিকে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান তিনি।

তারসঙ্গে অমর একুশে হল ছাত্র সংসদের জিএস উবায়দুর রহমান হাসিবসহ আরও দুজন ছিলেন। খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা থানা ঘেরাও করে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, সংবাদ সংগ্রহের সময় জাগো নিউজের ঢাবি প্রতিনিধি ফেরদৌস ও রাইজিংবিডির সৌরভ ইসলাম ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী বাধা প্রদান করেন। এর প্রতিবাদ জানান মানজুর হোছাঈন মাহি।

এ সময় ছাত্রদলের সাবেক সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান সামিথ মাহিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। মাহি নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিলে সামিথ তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ফেরদৌসসহ অন্য সাংবাদিকরা মাহিকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের থানার বারান্দা থেকে ধাক্কা দিতে দিতে চত্বরে নিয়ে আসে।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মো. সাদ্দাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূঁইয়া ইমনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ‘শিবির-সাংবাদিক একসাথে চলে না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

কিছুক্ষণ পর অন্যান্য সাংবাদিকরা থানায় উপস্থিত হলে সামিথ এসে দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তা ছিল কেবলই ‘নাটক’। এর কিছুক্ষণ পরই হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুজার গিফারী ইফাত হঠাৎ চিৎকার করে ‘এই ভাইরে মারছে, ভাইরে মারছে’ বলে একটি মব সৃষ্টি করেন। তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তখন সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন।

আবুজার গিফারীর নেতৃত্বে এই হামলায় অংশ নেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, মুহসীন হলের সদস্য সচিব মনসুর রাফি, শহীদুল্লাহ হলের সদস্য সচিব জুনায়েদ আবরার, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের নেতা সুলায়মান হোসেন রবি, সাকিব বিশ্বাস ও সাজ্জাদ খান, সূর্য সেন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন প্রান্ত, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সদস্য কারিব চৌধুরী ও জাহিন ফেরদৌস জামি, কবি জসীম উদদীন হল ছাত্রদলের নেতা মোহতাসিম বিল্লাহ হিমেল এবং বঙ্গবন্ধু হলের যুগ্ম আহ্বায়ক মমিতুর রহমান পিয়াল ও নেতা হাসানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।

এছাড়া ঢাবি ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম অনিক ও ক্রীড়া সম্পাদক সাইফ খানসহ অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। একপর্যায়ে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম শাহবাগ থানায় গেলে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাবির শহীদ ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর ওবায়দুর রহমান সামিথ সাংবাদিক মানজুর হোছাঈন মাহিকে ফোন করে বারবার দুঃখ প্রকাশ করেন। অন্য সাংবাদিকরা এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আগে মাহির সঙ্গে কথা বলে আপনাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, আমি চট্টগ্রাম থেকে এসেছি। বিষয়টি আমি শুনেছি, আমি দেখছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঢাবিতে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ : সাংবাদিকসহ আহত ১২

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

আহতরা হলেন– ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের (২২); ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক (২৩), ঢাবি শিক্ষার্থী তানজিম (২১), আলভি (২২) ও এহসান (২৩) এবং ঢাবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক সিফাত (২০), লিটন (২১), খালিদ (২১)।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই ছাত্র সংগঠনের সংঘর্ষের মধ্যে সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত হলে তাদের হাসপাতাল নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে জরুরি বিভাগের ৪নং ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।

আহত সাংবাদিকরা হলেন- কালের কণ্ঠের মানজুর হোছাঈন মাহি, আগামীর সময়ের লিটন ইসলাম, ঢাকা ট্রিবিউনের শামসুদ্দৌজা নবাব, ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত, নয়া দিগন্তের হারুন ইসলাম, মানবজমিনের আসাদুজ্জামান খান, ডেইলি অবজারভারের নাইমুর রহমান ইমন এবং দেশ রূপান্তরের খালিদ হাসান।

তাদের মধ্যে ঢাকা মেইলের মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন সিফাত চোখ ও মুখে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নামে একটি ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টে ‘প্রধানমন্ত্রী’ তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তবে আবদুল্লাহ এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা পোস্ট দিলেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্ষান্ত হননি। উপরন্তু, ফেসবুকের মাধ্যমে তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হলে নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা সাতটার দিকে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান তিনি।

তারসঙ্গে অমর একুশে হল ছাত্র সংসদের জিএস উবায়দুর রহমান হাসিবসহ আরও দুজন ছিলেন। খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা থানা ঘেরাও করে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, সংবাদ সংগ্রহের সময় জাগো নিউজের ঢাবি প্রতিনিধি ফেরদৌস ও রাইজিংবিডির সৌরভ ইসলাম ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী বাধা প্রদান করেন। এর প্রতিবাদ জানান মানজুর হোছাঈন মাহি।

এ সময় ছাত্রদলের সাবেক সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান সামিথ মাহিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। মাহি নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিলে সামিথ তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ফেরদৌসসহ অন্য সাংবাদিকরা মাহিকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের থানার বারান্দা থেকে ধাক্কা দিতে দিতে চত্বরে নিয়ে আসে।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মো. সাদ্দাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূঁইয়া ইমনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ‘শিবির-সাংবাদিক একসাথে চলে না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

কিছুক্ষণ পর অন্যান্য সাংবাদিকরা থানায় উপস্থিত হলে সামিথ এসে দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তা ছিল কেবলই ‘নাটক’। এর কিছুক্ষণ পরই হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুজার গিফারী ইফাত হঠাৎ চিৎকার করে ‘এই ভাইরে মারছে, ভাইরে মারছে’ বলে একটি মব সৃষ্টি করেন। তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তখন সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন।

আবুজার গিফারীর নেতৃত্বে এই হামলায় অংশ নেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, মুহসীন হলের সদস্য সচিব মনসুর রাফি, শহীদুল্লাহ হলের সদস্য সচিব জুনায়েদ আবরার, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের নেতা সুলায়মান হোসেন রবি, সাকিব বিশ্বাস ও সাজ্জাদ খান, সূর্য সেন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন প্রান্ত, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সদস্য কারিব চৌধুরী ও জাহিন ফেরদৌস জামি, কবি জসীম উদদীন হল ছাত্রদলের নেতা মোহতাসিম বিল্লাহ হিমেল এবং বঙ্গবন্ধু হলের যুগ্ম আহ্বায়ক মমিতুর রহমান পিয়াল ও নেতা হাসানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।

এছাড়া ঢাবি ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম অনিক ও ক্রীড়া সম্পাদক সাইফ খানসহ অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। একপর্যায়ে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম শাহবাগ থানায় গেলে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাবির শহীদ ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর ওবায়দুর রহমান সামিথ সাংবাদিক মানজুর হোছাঈন মাহিকে ফোন করে বারবার দুঃখ প্রকাশ করেন। অন্য সাংবাদিকরা এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আগে মাহির সঙ্গে কথা বলে আপনাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, আমি চট্টগ্রাম থেকে এসেছি। বিষয়টি আমি শুনেছি, আমি দেখছি।