ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাহিরপুরের যাদুকাটায় ড্রেজার পরিচালনায় উচ্চ আদালতের অনুমতি

এম আর সজিব সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 18
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি পেয়েছেন বালুমহালের ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও মো. নাসির মিয়া। উচ্চ আদালতের আদেশের আলোকে তারা প্রশাসনিক সহযোগিতা চেয়ে গত বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের অনুলিপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, আদালতের আদেশসংবলিত চিঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসেছে এবং বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে।
জানা যায়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত যাদুকাটা-২ বালুমহালে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে আপিল বিভাগের আদেশক্রমে পুনরায় অনুমতি পান দুই ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ এবং মো: নাসির মিয়া।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ডের সনদ এবং আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার অফিসের আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও মো: নাসির মিয়া বলেন, পাহাড়ি ঢল, নদীতে অতিরিক্ত পানিবৃদ্ধি এবং তীব্র স্রোতের কারণে বর্তমানে শ্রমিকনির্ভর সনাতনী পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে বালু উত্তোলন ও বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও বালুর সংকট তৈরি হয়েছে।তারা আরও বলেন, যাদুকাটা নদীর নাব্যতা রক্ষা বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফিক প্রতিবেদন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিবেশের ক্ষতি এড়িয়ে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনা করা হবে। ইজারাদারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদনের অনুলিপি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পুলিশ সুপার, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজিবি, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তাহিরপুরের যাদুকাটায় ড্রেজার পরিচালনায় উচ্চ আদালতের অনুমতি

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

 

 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি পেয়েছেন বালুমহালের ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও মো. নাসির মিয়া। উচ্চ আদালতের আদেশের আলোকে তারা প্রশাসনিক সহযোগিতা চেয়ে গত বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের অনুলিপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, আদালতের আদেশসংবলিত চিঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসেছে এবং বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পরবর্তীতে গ্রহণ করা হবে।
জানা যায়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত যাদুকাটা-২ বালুমহালে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনার অনুমতি ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে আপিল বিভাগের আদেশক্রমে পুনরায় অনুমতি পান দুই ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ এবং মো: নাসির মিয়া।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ডের সনদ এবং আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার অফিসের আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ ও মো: নাসির মিয়া বলেন, পাহাড়ি ঢল, নদীতে অতিরিক্ত পানিবৃদ্ধি এবং তীব্র স্রোতের কারণে বর্তমানে শ্রমিকনির্ভর সনাতনী পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে বালু উত্তোলন ও বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও বালুর সংকট তৈরি হয়েছে।তারা আরও বলেন, যাদুকাটা নদীর নাব্যতা রক্ষা বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফিক প্রতিবেদন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিবেশের ক্ষতি এড়িয়ে ড্রেজার ও সেইভ মেশিন পরিচালনা করা হবে। ইজারাদারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদনের অনুলিপি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পুলিশ সুপার, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজিবি, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।